বাড়ি > ঘরে বাইরে > চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হারে কমে হল ৪.৫%
বড় খবর

চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হারে কমে হল ৪.৫%

ফাইল ছবি (MINT_PRINT)
ফাইল ছবি (MINT_PRINT)

গত অর্থবর্ষের এই সময়কালে ৭.১ শতাংশ হারে বেড়েছিল ভারতীয় অর্থনীতি

প্রত্যাশা মতোই ফের পড়ল জিডিপি বৃদ্ধির হার। চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ৪.৫% হারে বেড়েছে ভারতীয় অর্থনীতি। আর্থিক বছরের প্রথম তিন মাসে ৫% হারে জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছিল।গত অর্থবর্ষের এই সময়কালে ৭.১ শতাংশ হারে বেড়েছিল ভারতীয় অর্থনীতি। ২০১৩ সালের পর এবারই এত কম হল জিডিপি বৃদ্ধির হার। সার্বিকভাবে বেসরকারি লগ্নি, গ্রাহকদের মধ্যে চাহিদা, সর্বত্র অর্থনীতির শ্লথ গতির প্রভাব স্পষ্ট।

জিডিপি বৃদ্ধির এই শ্লথ গতিকে মেনে নেওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। অর্থনীতির এই হাল আসলে সমাজের প্রতিফলন বলে জানিয়েছেন মনমোহন।বর্তমানে সমাজে ভয়ের পরিস্থিতি বিরাজমান বলে জানান তিনি।

ম্যানুফ্যাকচারিং ও কৃষিশিল্পে বৃদ্ধির হার শ্লথ হওয়ায় সার্বিক ভাবে কমেছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। শিল্পাতপাদনের হার কমেছে ০.৪ শতাংশ। গত অর্থবর্ষের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ৩ শতাংশ বেড়েছিল শিল্পোতপাদন। অতিবৃষ্টির কারণে খনন ও গৃহনির্মাণ শিল্পেও বৃদ্ধির হার শ্লথ হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুতের চাহিদাও কৃষিক্ষেত্রে ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের ক্ষেত্রে গড় পরিমাণের থেকে কম ছিল। শিল্পেে সামগ্রিক ভাবে কম চাহিদাও বিদ্যুত ক্ষেত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন যে অর্থনীতির ভিত মজবুত রয়েছে। আগামী কোয়ার্টার থেকে জিডিপি বৃদ্ধির হারে গতি আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য ফের এক দফা রেপো রেট কমাতে চলেছে আরবিআই। তবে প্রায় ১.৩৫ শতাংশ রেপো রেট কমালেও সেইরকম সুদের হার কমায়নি ঋণের ভারে নুব্জ্য ব্যাংকগুলি। অর্থনীতিতে গতি আনার জন্য কর্পোরেট কর কমিয়েছে কেন্দ্র। প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার বিলগ্নীকরণেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারপরেও এই শ্লথ ভাব আগামী বছরখানেক চলবে বলেই অনেক বিশেষজ্ঞের অভিমত।

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন চলতি সপ্তাহে বলেছেন যে ভারতীয় অর্থনীতিতে মন্দা আসেনি, ভবিষ্যতেও আসবে না। ইউপিএ আমলের থেকে এনডিএর সময় জিডিপি বৃদ্ধির হারও বেশি বলেও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু এই মুহূর্তে সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও অর্থনীতির চাকা ঘুরছে না।

বন্ধ করুন