বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Hathras gangrape: যোগীকে ফোন নমোর, ভোররাতে দেহ সৎকার নিয়ে শুরু বিতর্ক
বুধবার ভোর তিনটেয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ও কড়া পুলিশি পাহারায় নিহত তরুণীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
বুধবার ভোর তিনটেয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ও কড়া পুলিশি পাহারায় নিহত তরুণীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

Hathras gangrape: যোগীকে ফোন নমোর, ভোররাতে দেহ সৎকার নিয়ে শুরু বিতর্ক

  • বুধবার ভোর তিনটেয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাথরাসের এসপি বিক্রান্ত বীর।

হাথরাসে দলিত তরুণী গণধর্ষণ ও মৃত্যু নিয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে টুইট করে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১২টার সময় হাথরাসের বুলগাড়ি গ্রামে ফেরে গণধর্ষণ ও ভয়াবহ নিগ্রহে নিহত তরুণীর দেহ। বুধবার ভোর তিনটেয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাথরাসের এসপি বিক্রান্ত বীর। 

এর আগে অভিযোগ ওঠে, পরিবারের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ নিগৃহীতার দেহ সৎকার করেছে। বিশেষ করে গভীর রাতে সাধারণত দাহ করার রেওয়াজ নেই বলেও অই দাবি মজবুত হয়। এই কারণে এ দিন সকালে হাথরাসের জেলাশাসক জানিয়েছেন, সৎকারের অনুমতি দিয়েছিলেন নিহত তরুণীর বাবা ও দাদা। রাত ১২.৪৫ থেকে ২.৩০ পর্যন্ত অন্ত্যেষ্টিতে উপস্থিত ছিলেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। 

আরও পড়ুন: নিগৃহীতা দলিত তরুণীর মৃত্যুতে থমথমে হাথরাস, ঘরবন্দি ৪ অভিযুক্তের পরিবার

এসপি জানিয়েছেন, গ্রামের পরিস্থিতিতি আপাতত স্বাভাবিক ও শান্তই রয়েছে। যদিও গ্রামে টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

অন্য দিকে বুলগাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বছর উনিশের দলিত তরুণীর দেহ নিয়ে সন্ধ্যায় অ্যাম্বুল্যান্স এসে পৌঁছলে বিতর্কের সূচনা হয়। গ্রামবাসী দেহ তরুণীর বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলেও প্রশাসনের তরফে তড়িঘড়ি সৎকারের জন্য চাপ দেওয়া হয়। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ালে অ্যাম্বুল্যান্সের পথ অবরোধ করেন স্থানীয়রা। শেষ পর্যন্ত গ্রামের শ্মশানে দেহ সৎকার করা হয়।

হাথরাসের ঘটনার সঙ্গে ২০১২ সালে দিল্লিতে প্যারামেডিক ছাত্রীর গণধর্ষণ ও তার জেরে মৃত্যুর তুলনা টেনে টুইটারে প্রতিবাদে সরব হন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তিনি লিখেছেন, ‘হাথরাসে যে দলিত তরুণী পৈশাচিক নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন, সফদরজং হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দুই সপ্তাহ ধরে তিনি হাসপাতালে জন্ম-মৃত্যুর মাঝে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন। হাথরাস, শাহজাহানপুর ও গোরক্ষপুরে ধর্ষণের বিভিন্ন ঘটনায় গোটা দেশ আজ শিহরিত হয়েছে।’

আরও পড়ুন: মারা গেলেন হাথরাসে গণধর্ষণের শিকার দলিত তরুণী, গ্রেফতার ৪

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির মুখ্য আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালও ঘটনার তীব্র নিন্দা করে টুইট করেছেন। তাঁর দাবি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে দোষীদের ফাঁসিতে ঝোলানো হোক।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে করার নির্দেশও তিনি দিয়েছেন। হাথরাসের ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

বন্ধ করুন