বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Love letter: আই লাভ ইউ, কাউকে বলবে না…নাবালিকা ছাত্রীকে প্রেমপত্র স্যারের

Love letter: আই লাভ ইউ, কাউকে বলবে না…নাবালিকা ছাত্রীকে প্রেমপত্র স্যারের

নাবালিকা ছাত্রীকে প্রেমপত্র শিক্ষকের। প্রতীকী ছবি

ইতিমধ্যেই শিক্ষাদফতরের তরফে বলা হয়েছে, হাতের লেখা মিলিয়ে দেখার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষকের বয়স ৪৭ বছর। সরকারি স্কুলের শিক্ষক। আর সেই শিক্ষকই অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রেমপত্র পাঠিয়েছিলেন। আর তার সঙ্গেই তিনি লিখে দিয়েছিলেন, কাউকে যেন বলবে না! ছাত্রীর বয়স ১৩ বছর। সে ওই স্কুলেই পড়াশোনা করে। তবে প্রেমপত্র পাঠিয়ে বিপাকে স্কুল শিক্ষক।

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে শীতের ছুটির আগে এই প্রেমপত্র দেওয়া হয়েছিল ছাত্রীকে। সেই লাভ লেটারই এখন ভাইরাল সোশ্য়াল মিডিয়ায়। সেখানে লেখা রয়েছে, খুব ভালোবাসি তোমায়। শীতের ছুটিতে তোমায় খুব মিস করব।এর সঙ্গেই তিনি লিখেছেন, মন খারাপ করলেই আমাকে ফোন করবে।

এদিকে হিন্দুস্তান টাইমসের রিপোর্ট অনুসারে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সদর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কনৌজের এসপি কুনওয়ার অনুপম সিং জানিয়েছেন, পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত করছে। রাজ্য শিক্ষা দফতরকেও এনিয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে।

এদিকে ইতিমধ্যেই শিক্ষাদফতরের তরফে বলা হয়েছে, হাতের লেখা মিলিয়ে দেখার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে চিঠিতে লেখা হয়েছে, লেটারটা পড়েই ছিঁড়ে ফেলে দিও। কিন্তু সেটা শেষ পর্যন্ত হয়নি। ওই ছাত্রী গোটা বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানিয়ে দেয়। তারপরই পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। অভিভাবকরা পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানান। পুলিশ এরপর তদন্ত শুরু করে। এদিকে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে ওই চিঠিতে হরিওম সিং নামে ওই শিক্ষক চিঠিতে জানিয়েছেন, তিনি বিয়ে করতে চান ওই ছাত্রীকে। সেকারণে তিনি খুব ভালোবাসেন।

একেবারেই নাম ধরেই প্রেমপত্রটি শুরু করেছেন ওই শিক্ষক। লিখেছেন ছুটির আগে অন্তত একবার দেখা করে যেও। যদি সত্যিই সে ভালোবাসে তবে নিশ্চয়ই একবার আমার কাছে আসবে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, চিরদিন তোমায় ভালোবেসে যাব। শুধু তোমাকেই ভালোবাসব। তবে চিঠিটা পড়ে ছিঁড়ে ফেলে দিও…

এদিকে চিঠির কথা জানার পরে ওই স্যারের কাছে গিয়েছিলেন ছাত্রীর বাবা। ক্ষমা চাওয়ার জন্য তিনি দাবি করেছিলেন। কিন্তু পালটা ওই শিক্ষক জানিয়ে দেন, তিনি ক্ষমা চাইবেন না। বেশি কিছু করলে মেয়েকে হাপিস করে দেবেন। এরপরই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান তিনি।

এদিকে শিক্ষক সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে যদি বাস্তবে এই ধরনের চিঠি লেখা হয়ে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সংগঠন তার পাশে দাঁড়াবে না।

 

বন্ধ করুন