বিচারের অপেক্ষায় নির্ভয়ার মা আশাদেবী (PTI)
বিচারের অপেক্ষায় নির্ভয়ার মা আশাদেবী (PTI)

আদালতের দরজা বন্ধ হতে প্রাণভিক্ষার আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রপতির দোরে নির্ভয়ার ধর্ষক

ফাঁসির দড়ি গলায় পরার হাত থেকে বাঁচতে শেষ রাস্তা রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন। রাষ্ট্রপতি দোষীর অপরাধ ও সম্ভাবনা বিচার করে চূড়ান্ত সিদ্ধন্ত নিয়ে থাকেন।

মঙ্গলবারই আদালত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার শেষ আশায় জল পড়েছে। নির্ভয়ার ধর্ষক মুকেশ সিং ও বিনয় শর্মার প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ফাঁসি রদের শেষ রাস্তা হিসাবে এবার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানাল মুকেশ। গত ৭ জানুয়ারি নির্ভয়ার চার ধর্ষকের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ কোর্ট। রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করলে আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ৮টায় দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ জেলে ফাঁসি হবে তাদের।

ফাঁসির দড়ি গলায় পরার হাত থেকে বাঁচতে শেষ রাস্তা রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন। রাষ্ট্রপতি দোষীর অপরাধ ও সম্ভাবনা বিচার করে চূড়ান্ত সিদ্ধন্ত নিয়ে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেদিক থেকে দেখলে নির্ভয়ার কোনও ধর্ষকেরই মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

২০১২ সালের ডিসেম্বরের দিল্লির রাস্তায় চলন্ত বাসে ধর্ষিতা হন কলেজছাত্রী। ৫ যুবক মিলে ধর্ষণের পর তার ওপর অকথ্য অত্যাচার চালায়। এমনকী ছাত্রীর যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেয় এক ধর্ষক। ঘটনার কয়েকদিন পর মৃত্যু হয় নির্ভয়ার। এর পরই মহিলাদের নিরাপত্তার দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রাজধানী দিল্লি। জনমতের চাপে অবশেষে ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনে সংশোধন করে সরকার। ১৮ বছর থেকে কমিয়ে গুরুতর অপরাধে প্রাপ্তবয়স্ক বিবেচনার সূচক ১৬ বছর ধরা হয়।

মেয়ের ধর্ষক ও খুনিদের শাস্তির দাবিতে ৮ বছর আশায় বুক বেঁধে আছেন নির্ভয়রা মা আশাদেবী।

বন্ধ করুন