বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদীর, ইন্দো-প্যাসিফিকে শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর
মোদী ও বাইডেন (ফাইল ছবি)
মোদী ও বাইডেন (ফাইল ছবি)

বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদীর, ইন্দো-প্যাসিফিকে শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর

  • মোদী বলেন যে তিনি ও জো বাইডেন চান আইন মেনে যেন চলে আন্তর্জাতিক পৃথিবী। সেই কারণে দুই দেশের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করার জন্য একযোগে কাজ করতে তাঁরা মুখিয়ে আছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। ইন্দো-প্যাসিফিক ও অন্যান্য অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে তাঁরা উদ্যোগী হবেন বলে জানান মোদী।

জো বাইডেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি হওয়ার এই প্রথম তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর আগে বাইডেন নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে একপ্রস্ত কথা হয়েছিল মোদীর। কিন্তু এই প্রথমবার ডেমোক্র্যাটিক দলের জো বাইডেন দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর সঙ্গে কথাপোকথন হল মোদীর। প্রধানমন্ত্রী মোদী টুইটারে এই কথা জানান। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল যে আলোচনার প্রধান ফোকাস ছিল, সেটাও জানিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ নাম না করেই তিনি বুঝিয়ে দেন যে চিন নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। 

মোদী বলেন যে তিনি ও জো বাইডেন চান আইন মেনে যেন চলে আন্তর্জাতিক পৃথিবী। সেই কারণে দুই দেশের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করার জন্য একযোগে কাজ করতে তাঁরা মুখিয়ে আছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। ইন্দো-প্যাসিফিক ও অন্যান্য অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে তাঁরা উদ্যোগী হবেন বলে জানান মোদী।

অতীতে ভাইস প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে বহু আলোচনা হয়েছে মোদীর। কিন্তু এই প্রথমবার রাষ্ট্রপতি বাইডেনের সঙ্গে কথায় নয়া ইনিংসের জন্য শুভেচ্ছা জানান মোদী। আঞ্চলিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে ও যেসব বিষয় একযোগে কাজ করছে দুই দেশ, সেই নিয়েও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ ভাবে তিনি আবহাওয়া বদলের বিষয়টি উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গত, বাইডেন আসার পরেই ফের ক্লাইমেট চেঞ্জ রোখার জন্য যে প্যারিস চুক্তি, তাতে অংশীদার হয়েছে আমেরিকা। 

এর আগে বাইডেন প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের সচিবদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে মোদী ক্যাবিনেটের মন্ত্রীদের। এবার শীর্ষ স্তরে আলোচনা হল। ট্রাম্প জমানায় একদিকে যেমন চিনের বিরুদ্ধে একযোগে রুখে দাঁড়িয়েছিল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তেমনই অভিবাসন ও শিল্পনীতি নিয়ে মতের মিল হয়নি দুই প্রশাসনের। একই সঙ্গে সামরিক স্তরে আদানপ্রদান বাড়লেও ভারতের রাশিয়া নির্ভরতাকে ভালো চোখে দেখেনি আমেরিকা। বাইডেন জমানায় কোনদিকে যায় সম্পর্কের সমীকরণ, সেটাই দেখার। 

বন্ধ করুন