বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > পঞ্জাবে আস্থা ভোট নিতে অধিবেশন ডাকতে দিলেন না রাজ্যপাল, ক্ষুব্ধ কেজরিওয়াল
অরবিন্দ কেজরিওয়াল। (ANI) (HT_PRINT)

পঞ্জাবে আস্থা ভোট নিতে অধিবেশন ডাকতে দিলেন না রাজ্যপাল, ক্ষুব্ধ কেজরিওয়াল

অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলছেন, যখন 'অপারেশন লোটাস' ব্যর্থ হয়েছে, তখন উপরতলা থেকে নির্দেশে দুদিন আগে দেওয়া হয় রাজ্যপালপকে এই অধিবেশন তুলে নিতে। টুইটারে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল লেখেন,' মন্ত্রিসভার ডাকা বিশেষ অধিবেশন কীভাবে বাতিল করেন একজন রাজ্যপাল? তাহলে তো গণতন্ত্র শেষ হয়ে গিয়েছে। যখন অপারশন লোটাস ব্যর্থ হচ্ছে, সংখ্যাপূরণ হচ্ছে না, তখন ওপর তলা থেকে কল আসছে, যাতে অনুমতি তুলে নেওয়া হয়।'

২২ সেপ্টেম্বর পঞ্জাবে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনের ডাক বাতিল করে দিয়েছেন সেখানের রাজ্যপাল বানওয়ারি লাল পুরোহিত। রাজ্যপালের এই পদক্ষেপের পর যারপরনাই ক্ষুব্ধ আপের ন্যাশনাল কনভেনার তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষে আস্থাভোট নিয়ে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনের আইনত কোনও নিয়ম নেই।

এদিকে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক ক্ষুব্ধ। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির দিকে। তিনি বলছেন, যখন 'অপারেশন লোটাস' ব্যর্থ হয়েছে, তখন উপরতলা থেকে নির্দেশে দুদিন আগে দেওয়া হয় রাজ্যপালপকে এই অধিবেশন তুলে নিতে। টুইটারে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল লেখেন,' মন্ত্রিসভার ডাকা বিশেষ অধিবেশন কীভাবে বাতিল করেন একজন রাজ্যপাল? তাহলে তো গণতন্ত্র শেষ হয়ে গিয়েছে। যখন অপারশন লোটাস ব্যর্থ হচ্ছে, সংখ্যাপূরণ হচ্ছে না, তখন ওপর তলা থেকে কল আসছে, যাতে অনুমতি তুলে নেওয়া হয়।' এই বক্তব্যে যে কেজরিওয়ালের নিশানায় সম্পূর্ণরূরে বিজেপিই রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। এর আগে পঞ্জাবে আম আদমি পার্টির সরকারের পক্ষে একটি আস্থাভোটের ডাক দেওয়া বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনের অনুমতি তুলে নেওয়ার কথা বলেন রাজ্যপাল বানওয়ারি লাল পুরোহিত। সেক্ষেত্রে রাজভবন আইনের কিছু প্রসঙ্গ তুলে ধরে। শশীর পর অশোককেও একই বার্তা সনিয়ার!কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন চড়ছে জল্পনার পারদ

বেশ কিছু সূত্রের খবর এই যে, বিরোধী নেতা প্রতাপ সিং বাজওয়া, কংগ্রেস নেতা সুখপাল সিং খাইরা, পঞ্জাবের বিজেপি প্রধান অশ্বিনী শর্মা এই আইনের বিষয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হন। তারপরই রাজ্যপারল এই অনুমতি তুলে নেন। উল্লেখ্য, শিরোমনি অকালি দলের নেতা সুখবীর সিং বাদল ইতিমধ্যেই আম আদমি পার্টির নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে নিয়ে সরব হয়েছেন। মানের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় বক্তব্যা রাখার অভিযোগ রয়েছে। যা নিয়ে মানের ইস্তফা দাবি করা হয়।

 

বন্ধ করুন