বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Sri Sammed Shikhar: জৈনদের চাপে শ্রী সামেদ শিখরে পর্যটন কেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল কেন্দ্র

Sri Sammed Shikhar: জৈনদের চাপে শ্রী সামেদ শিখরে পর্যটন কেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল কেন্দ্র

শ্রী সামেদ শিখর তীর্থস্থান।

কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বৃহস্পতিবার টুইটারে লিখেছেন, তিনি জৈন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের আলোচনা করেছেন এবং তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সামেদ শিখর সহ জৈন সম্প্রদায়ের সমস্ত ধর্মীয় স্থানে তাদের অধিকার রক্ষা ও সংরক্ষণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 

আন্দোলনকারীদের চাপে অবশেষে ঝাড়খণ্ডের পরশনাথের শ্রী সামেদ শিখরে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক রাজ্য সরকারকে ওই জায়গায় পর্যটন কেন্দ্র গড়তে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। জৈনদের পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত শ্রী সামেদ শিখর। রাজ্য সরকার ২০২১ সালে সামেদ শিখরকে একটি ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র করার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। তারপরেই দেশ জুড়ে শুরু হয় আন্দোলন। জৈন সম্প্রদায়ের মানুষদের দাবি, এখানে বেশি সংখ্যক পর্যটকের আগমনের ফলে তীর্থস্থানের পবিত্রতাকে প্রভাবিত করতে পারে। সেই দাবিতে আন্দোলনে নামেন জৈন সম্প্রদায়ের মানুষজন।

কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বৃহস্পতিবার টুইটারে লিখেছেন, তিনি জৈন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের আলোচনা করেছেন এবং তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সামেদ শিখর সহ জৈন সম্প্রদায়ের সমস্ত ধর্মীয় স্থানে তাদের অধিকার রক্ষা ও সংরক্ষণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরপরেই মন্ত্রক পরিবেশ (সুরক্ষা) আইনের ধারা-৩ অনুসারে যাবতীয় কাজ স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, সামেদ চূড়াটি পরশনাথ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং তোপচাঁচি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের কারণে একটি পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকার মধ্যে পড়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে সেখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেয় রাজ্য সরকার। এরপর ২০২১ সালে সামেদ শিখরকে একটি ধর্মীয় পর্যটন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানান জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ। তার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ভূপেন্দ্র যাদবকে চিঠি দেন। চিঠিতে তিনি পরশনাথে অবস্থিত সামেদ শিখরের পবিত্রতা বজায় রাখার জন্য বিজ্ঞপ্তি খারিজের আবেদন জানান। সেইমর্মে গতকাল বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্র সরকার। সেখানে যেকোনও ধরনের নির্মাণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বন্ধ করুন