বাংলা নিউজ > ময়দান > ওজনে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দিব্যি ঢুকে পড়লেন জাতীয় দলে, নেপোটিজমের ছায়া পাক ক্রিকেটে
মইন খানের ছেলে আজম খান।
মইন খানের ছেলে আজম খান।

ওজনে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দিব্যি ঢুকে পড়লেন জাতীয় দলে, নেপোটিজমের ছায়া পাক ক্রিকেটে

  • আজমের ওজন নাকি ১৩০ কিলোর বেশি ছিল। কেউ কেউ আবার বলে থাকেন তাঁর নাকি ১৪০ কিলো ওজন ছিল। তার থেকে নাকি এক বছরে ৩০ কিলো কমিয়েছেন।

১০০ কেজি ওজন নিয়েও দিব্যি ঢুকে পড়লেন জাতীয় দলে! কী ভাবে সম্ভব হল? অবশ্য না হওয়ারই বা কী আছে! স্বজনপোষণের প্রভাব কোথায় আর নেই! প্রাক্তন অধিনায়ক মইন খানের ছেলে হওয়ার সুবাদে, ওজনে সেঞ্চুরির হাঁকানোর পরও ২২ বছরের আজম খান জায়গা করে নিতে পারলেন জাতীয় দলে। যদিও এই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে তীব্র বিতর্ক।

প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে নাকি অসাধরাণ স্ট্রাইক রেট। তাতে কী? তিনি কি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার মতো আদৌ ফিট? ঘরোয়া ক্রিকেটে আজম নাকি ৩৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। স্ট্রাইক রেট ১৫৭। তাঁর এই পারফরম্যান্স দেখেই নাকি, ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। 

পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক মহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন, ‘আমরা চার জন অভিজ্ঞ প্লেয়ারকে পুনরায় দলে জায়গা করে দিয়েছি। সেই সঙ্গে প্রথম বার জাতীয় দলে আজমকে নেওয়া হয়েছে, তাঁর ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্সের দেখার পর।’

আজমের ওজন নাকি ১৩০ কিলোর বেশি ছিল। কেউ কেউ আবার বলে থাকেন তাঁর নাকি ১৪০ কিলো ওজন ছিল। তার থেকে নাকি এক বছরে ৩০ কিলো কমিয়েছেন। যত কিলোই ওজন তিনি কমান না কেন, তিনি যে পুরো আনফিট, সেটা তাঁকে দেখেই পরিষ্কার বোঝা যায়। তবুও তিনি খুব সহজেই জাতীয় দলে ঢুকে পড়লেন। একেই বলে যস্মিন দেশে যদাচার!

বন্ধ করুন