বাংলা নিউজ > ময়দান > কোহলিকে T20 ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে বারণ করা হয়েছিল, সৌরভের দাবিকে স্বীকৃতি দিলেন নির্বাচক প্রধান
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও বিরাট কোহলি। (ফাইল ছবি, এএনআই এবং রয়টার্স) 
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও বিরাট কোহলি। (ফাইল ছবি, এএনআই এবং রয়টার্স) 

কোহলিকে T20 ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে বারণ করা হয়েছিল, সৌরভের দাবিকে স্বীকৃতি দিলেন নির্বাচক প্রধান

  • বোর্ড সভাপতির চেয়ারে বসে মিথ্যা বলেননি সৌরভ, স্পষ্ট করে দিলেন জাতীয় নির্বাচক প্রধান।

বিরাট কোহলিকে সরিয়ে রোহিত শর্মাকে টিম ইন্ডিয়ার নতুন অধিনায়ক ঘোষণা করা নিয়ে বছর শেষে জোর বিতর্ক দেখা দেয় ভারতীয় ক্রিকেটমহলে। নতুন বছরেও সেই বিতর্কের রেশ থেকে যাবে নিশ্চিত। কেননা বিবৃতি, পালটা বিবৃতির খেলা চলছেই।

বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় দবি করেন যে, জাতীয় নির্বাচকরা তো বটেই, এমনকি বোর্ডও বিশ্বকাপের আগে বিরাট কোহলিকে টি-২০ ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে বারণ করেছিল। এমনকি তিনি নিজেও কোহলিকে অনুরোধ করেছিলেন টি-২০ ক্যাপ্টেন্সি চালিয়ে যেতে।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে রীতিমোত বোমা ফাটান। বোর্ড সভাপতি বা জাতীয় নির্বাচকরা, কেউই তাঁকে টি-২০ ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে বারণ করেননি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন বিরাট। সুতরাং, এমন ধারণা কার্যত প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় যে, মিথ্যা কথা বলেছেন বিসিসিআই সভাপতি।

কোহলির তরফে সৌরভের দাবি অস্বীকার করার পরেই ভারতীয় ক্রিকেটমহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। দাবি উঠতে থাকে যে, কোহলি নাকি সৌরভ, সত্যি বলছেন কে তা স্পষ্ট করা হোক। রবি শাস্ত্রী তো এমনও মন্তব্য করেন যে, সৌরভের বোর্ডের উচিত নিজেদের সত্যি প্রমাণিত করা।

অবশেষে কোহলির দাবি নিয়ে বোর্ডের তরফে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। বরং বলা ভালো যে, জাতীয় নির্বাচকরা তাঁদের দিক তুলে ধরেন এই বিতর্কে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ওয়ান ডে স্কোয়াড ঘোষণার পরেই নির্বাচক প্রধান চেতন শর্মা জানান, জাতীয় নির্বাচকরা, বিসিসিআই কর্তারা এবং বৈঠকে উপস্থিত প্রত্যেকে একযোগে কোহলিকে টি-২০ ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে বারণ করেছিলেন। বোর্ড রীতিমতো অবাক হয়েছিল কোহলির টি-২০ ক্যাপ্টেন্সি ছাড়ার সিদ্ধান্তে। তাদের মনে হয়েছিল যে, বিশ্বকাপ অভিযানে এর প্রভাব পড়তে পারে।

সুতরাং, জাতীয় নির্বাচক প্রধানের কথায় এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, বোর্ড সভাপতির চেয়ারে বসে মিথ্যা বলেননি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

বন্ধ করুন