বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > HTLS 2022: ভিভ না থাকলে ২০০৭ সালেই অবসর নিতেন সচিন, ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাওয়া হত না

HTLS 2022: ভিভ না থাকলে ২০০৭ সালেই অবসর নিতেন সচিন, ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাওয়া হত না

সচিন তেন্ডুলকর।

২০০৭ সালে সচিন অবসর নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। সেই বছর বিশ্বকাপ অভিযানে ভারতের ব্যর্থতার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। কারণ সেই টুর্নামেন্টে তিনি নিজেও ব্যাটার হিসেবে একেবারে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেননি।

ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাট মিলিয়ে ১০০টি সেঞ্চুরি তাঁর ক্যারিয়ারকে আরও মূল্যবান করে তুলেছে। তাঁর রেকর্ড অগণিত। তাঁর হাইপ্রোফাইল ২৪ বছরের ক্যারিয়ারেও রয়েছে বহু উত্থান-পতন। তবে হাল না ছেড়ে নিজের বিজয় ধ্বজা বারবার উড়িয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর।

শনিবার ২০২২ হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটে এসে সচিন শোনালেন তাঁর জীবনের কঠিনতম অধ্যায়ের কথা। ২০০৭ সালে সচিন অবসর নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। সেই বছর বিশ্বকাপ অভিযানে ভারতের ব্যর্থতার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। কারণ সেই টুর্নামেন্টে তিনি নিজেও ব্যাটার হিসেবে একেবারে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেননি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য করেছিলেন ভিভ রিচার্ডস।

আরও পড়ুন: T20 WC Final-এ লারা এগিয়ে রাখছেন পাকিস্তানকে, সচিনের ভোট কার দিকে?

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ভিভ রিচার্ডসের একটি ফোন কলই সচিনকে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত করে। সচিন বলেছেন, ‘২০০৭ সালে যখন আমি অবসর নেওয়ার কথা ভাবছিলাম, স্যার ভিভ আমাকে অ্যান্টিগা থেকে ফোন করেছিলেন এবং আমাকে বোঝান যে আমার মধ্যে এখনও অনেক ক্রিকেট বাকি আছে।’

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজয় ভারতকে ২০০৭ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। ব্যাটসম্যান হিসেবে সচিনেরও স্মরণীয় অভিযান ছিল না সেটি। কারণ তিনি তিনটি ম্যাচে মাত্র ৬৪ রান করেছিলেন। অ্যান্টিগা থেকে ফোন কল পাওয়ার আগে পর্যন্ত সচিন অবসর নেওয়ার কথা চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন।

আরও পড়ুন: শোচনীয় হারের ময়নাতদন্ত করবে BCCI,উত্তর দিতে হবে কোচ-অধিনায়ককে,বাদ যাবেন না কোহলিও

এই ঘটনার পর ২০১৩ সালে অবসর নেন সচিন। আর ২০০৭-২০১৩ সালের মধ্যে সচিন আরও ছয় বছর ক্রিকেট খেলেছিলেন এবং এমএস ধোনির নেতৃত্বে ২০১১ সালে ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন।

রিচার্ডস সম্পর্কে বলতে গিয়ে সচিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তির সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাতের কথাও স্মরণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘স্যার ভিভ আমার রোল মডেলদের একজন ছিলেন। অন্যজন ছিলেন সুনীল গাভাসকর। আমি ওঁর স্টাইল পছন্দ করতাম। উনি যে ভাবে হাঁটতেন বা ব্যাটিং করতেন, ওঁর শারীরিক ভাষাও আমাকে আকৃষ্ট করেছিল। আমি ১৯৯২ সালে মঞ্জরেকরের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় ছিলাম। মেলবোর্নের হোটেলে কয়েক জন ভদ্রলোককে হাঁটতে দেখে আমি চিনতে পারি। আমি সঞ্জয়কে বললাম, এই লাঞ্চ আর কেনাকাটা ভুলে যাও। আমাকে ওঁর সঙ্গে দেখা করতে হবে। আমি এবং সঞ্জয় ওঁর রুমে যাই এবং এটি ছিল স্যার ভিভের সাথে আমার প্রথম দেখা।’

বন্ধ করুন