বাড়ি > ময়দান > লকডাউনের মাঝে ফুটবলারদের ঘর ছাড়তে বলে বিতর্কে ইস্টবেঙ্গল
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের লোগো।
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের লোগো।

লকডাউনের মাঝে ফুটবলারদের ঘর ছাড়তে বলে বিতর্কে ইস্টবেঙ্গল

ফুটবলারদের ফোন কোনও ইস্টবেঙ্গল কর্তা ধরেননি বলেই অভিযোগ। 

বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ইস্টবেঙ্গলের। মহামারীর ছুতোয় মেয়াদ ফুরানোর আগেই ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করাই হোক, অথবা ফুটবলার ও ক্রিকেটারদের বকেয়া মেটাতে না পারাই হোক, শতবর্ষের ইস্টবেঙ্গল নিয়ে বিস্তর সমালোচনা চলছে ভারতীয় ক্রীড়ামহলে। এবার নতুন করে ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে অভিযোগ, লকডাউনের মাঝে ফুটবলারদের সঙ্গে অমানবিক ব্যবহারের।

লকডাউনে দীর্ঘদিন কলকাতায় আটকে থাকার পর ইস্টবেঙ্গলের বেশ কিছু বিদেশি ফুটবলার দেশে ফিরেছেন। তবে সকলে এখনও শহর ছাড়েননি। স্প্যানিশ ট্রেনার কার্লোস নোদার ছাড়াও বেশ কয়েকজন ফুটবলার এখনও আটকে রয়েছেন শহরেই। লকডাউনের মাঝে করোনা সংক্রমণমুক্ত নিরাপদ স্থানে থাকাটাই যখন চ্যালেঞ্জের, ঠিক সেই সময় কোয়েস-ইস্টবেঙ্গলের তরফে ট্রেনার-সহ ফুটবলারদের আবাসন ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হল।

আরও গুরুতর অভিযোগ হল, কোয়েসের এই নির্দেশ হাতে পাওয়ার পর সাপোর্ট স্টাফ-সহ ফুটবলাররা ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও, কেউ ফোন ধরেননি তাঁদের। অর্থাৎ, এমন কঠিন সময়ে ফুটবলারদের কার্যত নিজেদের ব্যবস্থা নিজেদেরই করে নিতে বলা হয় ইস্টবেঙ্গলের তরফে।

নিউটাউনের ইউনিওয়ার্ল্ডের রোজডেলে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট ফিজিক্যাল ট্রেনার ও ফুটবলাররা। কোয়েসের তরফে বার্তা পাঠানো হয়েছে, আগামী ২৫ মে আবাসনের মালিকের হাতে ফ্ল্যাট তুলে দেওয়া হবে। তার আগে রুমগুলি পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত করা হবে। সংস্কারও করতে হবে। তাই ফুটবলারদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র খোওয়া গেলে তার দায় নেবে না কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এক ফুটবলার জানান, 'এটা সম্ভবত সবথেকে খারাপ ঘটনা। দেশজুড়ে যখন লকডাউন চলছে, এই অবস্থায় আমরা কোথায় যাব? ক্লাব কর্তৃপক্ষ আমাদের ফোন উপেক্ষা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে ফ্ল্যাট ছাড়া কোনওভাবেই সম্ভব নয়। দেখা যাক কি হয়।'

যদিও এক্ষেত্রে ক্লাব কর্তৃপক্ষ দায় চাপাচ্ছে স্পনসরদের ঘাড়েই। কারণ, ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি করেছিল স্পনসররাই। তারাই তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করেছিল। ক্লাবের সঙ্গে স্পনসরের চুক্তি ছিন্ন হওয়ায় এ-বিষয়ে কিছু করার নেই তাদের।

 

বন্ধ করুন