বাংলা নিউজ > ময়দান > 'বিতর্কিত' ইয়র্কশায়ারকে গুঁড়িয়ে কাউন্টি জয়, নয়া শতকে গড়ল নজির সারের
নয়া শতকে গড়ল নজির সারের। ছবি টুইটার

'বিতর্কিত' ইয়র্কশায়ারকে গুঁড়িয়ে কাউন্টি জয়, নয়া শতকে গড়ল নজির সারের

  • ফলোঅন করতে নেমেও ইয়র্কশায়ার দল একেবারেই ভালো খেলতে পারেনি। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় তারা ২০৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে জয়ের জন্য সারের সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৫ রানের।

শুভব্রত মুখার্জি: এক রাউন্ডের ম্যাচ বাকি থাকতেই ২০২২ সালের এলভি ইনস্যুরেন্স কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিল সারে কাউন্টি ক্লাব। ইয়র্কশায়ারকে রীতিমতো গুড়িয়ে দিয়ে চলতি বছরের চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিল সারে। প্রসঙ্গত এটি তাদের ইতিহাসে ২১ তম কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়। ওভালে বৃহস্পতিবার ইয়র্কশায়ারকে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দেয় সারে। সারে কাউন্টি ক্লাব ২১তম কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে জয়ী হল যা অন্যান্য ক্লাবের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।

২০১৮ সালের পরে এটাই সারের প্রথম কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ জয়। প্রসঙ্গত হেড কোচ গ্যারেথ ব্যাটির অধীনেও এটি তাদের প্রথম শিরোপা জয়। ম্যাচে ইংল্যান্ডের সিনিয়র টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য ওলি পোপ অনবদ্য ফর্মে ছিলেন। সারে প্রথম ইনিংসে ৩৩৩ রান করতে সমর্থ হয়। অলি পোপ অনবদ্য শতরান করেন। ১ম দিনেই ১৩১ বলে ১৩৬ রানের দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেন এই ডানহাতি ব্যাটার। জবাবে ইয়র্কশায়ার মাত্র ১৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে ১৫৪ রানে পিছিয়ে পরে তারা। ইয়র্কশায়ারকে ফলো অন করতে পাঠায় সারে।

ফলোঅন করতে নেমেও ইয়র্কশায়ার দল একেবারেই ভালো খেলতে পারেনি। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় তারা ২০৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে জয়ের জন্য সারের সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৫ রানের। মাত্র ৬ ওভারেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা। সারে অধিনায়ক রোরি বার্ণস ১৬ বলে ৩০ রানের একটি মারকাটারি ইনিংস উপহার দেন। তবে তিন দিনের মধ্যে সারে নিজেদের ম্যাচ জয় নিশ্চিত করার পরেও তাদের শিরোপা জয় নিশ্চিত ছিল না। তা নিশ্চিত হয় হ্যাম্পশায়ার হেরে যাওয়াতে।

হ্যাম্পশায়ারকে হারতে হয়েছে নিজেদের ঘরের মাঠেই। কেন্টের কাছে হারতে হয়েছে তাদের। হ্যাম্পশায়ারকে ৭৭ রানে হারিয়ে দিয়েছে কেন্ট। পাশাপাশি এই মরশুমে অবনমনের মুখে পড়তে হয়েছে গ্লস্টারশায়ারকে। সারে অবশ্য ১৩টি ম্যাচেই অপরাজিত ছিল এবারের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে। যার মধ্যে ৮টি ম্যাচে জিতেছে তারা। ২০বার তারা সরাসরি খেতাব জিতেছে। ১৯৫০ সালে অবশ্য তাদের যৌথভাবে ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে শিরোপা জিততে হয়েছিল। সারের অজি পেসার ড্যানিল ওরেল ইয়র্কশায়ারের বিরুদ্ধে ম্যাচে ৬১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন। এই ম্যাচে জিতে ২২ পয়েন্ট নিশ্চিত করে সারে। ফলে তাদের প্রতিবেশী হ্যাম্পশায়ারের থেকে তারা ২৭ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিল। যা শেষ ম্যাচে হ্যাম্পশায়ারের পাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই ছিল না।

বন্ধ করুন