বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Buxa: হরিণ শিকার করে ভোজের আয়োজনে কাদের হাত? বক্সার চক্রীদের খুঁজছে পুলিশ, রিপোর্ট তলব মন্ত্রীর

Buxa: হরিণ শিকার করে ভোজের আয়োজনে কাদের হাত? বক্সার চক্রীদের খুঁজছে পুলিশ, রিপোর্ট তলব মন্ত্রীর

হরিণ। প্রতীকী ছবি

হরিণটিকে মেরে রীতিমতো রান্নার আয়োজন করে ফেলা হয়েছিল জঙ্গলের কাছেই। কিন্তু বনদফতরের হানায় শেষ পর্যন্ত সেটিকে রান্না করা যায়নি। তার আগেই ধরা পড়ে যায় অভিরাম নামে এক দুষ্কৃতী।

কোনওভাবেই হরিণ শিকার করা যায় না। হরিণ শিকার করলে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু আলিপুরদুয়ারের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ময়নাবাড়ি এলাকায় হরিণ শিকারের মতো ভয়াবহ অভিযোগ সামনে এসেছে। চোরাকারবারীরা হরিণের মাংস দিয়ে মহাভোজ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল । কিন্তু বনদফতরের কাছে এনিয়ে খবর চলে আসে। এরপরই অভিযানে নামে বনদফতর। প্রায় ২০ কেজি মাংস বাজেয়াপ্ত করে বনদফতর। রান্নার কিছু সরঞ্জামও মিলেছিল। একজনকে গ্রেফতারও করা হয়। তবে এবার এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করলেন বনমন্ত্রী। পাশাপাশি স্থানীয় এলাকায় এনিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ফেরানোর উদ্যোগ নিচ্ছে বনদফতর। বাকি অভিযুক্তদের খুঁজছে পুলিশ।

তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, হরিণটিকে পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মধ্য়ে এটা হয়ে থাকলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনিয়ে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

হরিণটিকে মেরে রীতিমতো রান্নার আয়োজন করে ফেলা হয়েছিল জঙ্গলের কাছেই। কিন্তু বনদফতরের হানায় শেষ পর্যন্ত সেটিকে রান্না করা যায়নি। তার আগেই ধরা পড়ে যায় অভিরাম নামে এক দুষ্কৃতী।

তবে ধৃতকে ১৪দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে হরিণটি কোনওভাবে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে কাছের চা বাগানে ঢুকে পড়েছিল। তবে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় এটা অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। কিন্তু সেদিন অন্তত ১২জনের একটা টিম সেই হরিণের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। চা বাগানের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় হরিণটিকে তারা আটকে ফেলে। এরপর শুরু হয় লাঠি দিয়ে মার। পাথরও ছোঁড়া হয়। আহত হয় হরিণটি। পালিয়ে যাওয়ার মতো শক্তি ছিল না হরিণটির। এরপর সেই হরিণটিকে কার্যত পিটিয়ে মেরে ফেলেন ওই দুষ্কৃতীরা। এরপর সেটিকে কেটে তারা মাংস রান্না করে খাওয়ারও প্রস্তুতি নিয়েছিল তারা। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দেয় বনদফতর।

তবে অন্য সূত্র বলছে তারা জঙ্গলে ঢুকেই হরিণ শিকার করেছিল। সেখানেই বার্কিং ডিয়ারটিকে মেরে তারা ছাল ছাড়িয়ে ফেলে। এরপর বনদফতর জানতে পেরে যায়। তবে সেই সময় একজন ছাড়া সকলেই পালিয়ে যায়। এরপরই ওই যুবককে ধরে ফেলে বনদফতর। কিন্তু এর পেছনে আর কারা? সেটাই জানতে চাইছে বনদফতর। 

 

বন্ধ করুন