বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘বিনিয়োগের ভালো জায়গা বাংলা,’ মমতার প্রশংসায় Tata, সিঙ্গুর বিবাদ আজ অতীত

‘বিনিয়োগের ভালো জায়গা বাংলা,’ মমতার প্রশংসায় Tata, সিঙ্গুর বিবাদ আজ অতীত

খড়্গপুরের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ANI Photo) (ANI)

বাংলার রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল সিঙ্গুরকাণ্ড। সিঙ্গুরসরণী ধরেই বাংলার মসনদে বসেছিলেন মমতা। আর টাটাকে তাড়ানোর জন্য় আজও বিরোধীরা মমতাকেই দোষারোপ করেন। কিন্তু এখন মমতার শিল্পভাবনা সম্পর্কে কী বলছেন টাটা গোষ্ঠীর পদস্থ আধিকারিকরা?

উৎকর্ষ বাংলার মঞ্চ। স্থান খড়্গপুর। বৃহস্পতিবার খড়্গপুরে টাটা মেটালিকসের সম্প্রসারণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। আর সেই অনুষ্ঠানে টাটার পদস্থ কর্তারা মুখ্য়মন্ত্রীকে ধন্য়বাদ জ্ঞাপন করেন এই প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য। অন্য়দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও টাটা গ্রুপের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন কারণ তারা শিল্প কারখানার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন।

আসলে সিঙ্গুরের সেই মনোমালিন্য আজ অতীত। রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা তখন বিরোধী নেত্রী। কার্যত তাঁর আন্দোলনের চাপেই সিঙ্গুর থেকে শিল্প গোটাতে বাধ্য় হয়েছিল টাটা গোষ্ঠী। আর এখন সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ই রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী। টাটাকে স্বাগত জানাচ্ছেন তিনি।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে টাটা গোষ্ঠীর ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মমতা। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাটা মেটালিক্সের এমডি সন্দীপ কুমার ও টাটা স্টিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট সঞ্জীব পাল। প্রোগ্রামের পরেও তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন।

টাটা মেটালিক্সের এমডি সন্দীপ কুমার একটি ইংরাজি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে পরে কথা বলেন। তিনি বলেন, এখন বাংলা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে খুব ভালো জায়গা। ১৫ বছর আগে যেমনটা ছিল তেমন নয়। এখানে আর কোনও বনধ হয় না। কর্মদিবস নষ্ট হয় না। আমরা বাংলা সম্পর্কে আস্থাশীল।

২০১৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সেকথাও জানান সঞ্জীব পাল। তিনি বলেন, আমাদের অ্যাপ্রোচ রাস্তাটা খুব সংকীর্ণ ছিল। মুখ্যমন্ত্রী সেই সমস্যা মিটিয়েছিলেন।

এদিকে টাটা মেটালিক্সে আরও ১৫০০-২০০০ কর্মসংস্থান হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জঙ্গলমহলে শিল্প স্থাপনের জন্য় প্রায় ২২২৫ একর জমি তৈরি করা হচ্ছে। তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দরের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর দাবি, সিপিএম ও বিজেপি নতুন কর্মসংস্থানে বাধা দিচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন