বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > আমফান বিধ্বস্ত সন্দেশখালি ও পাথরপ্রতিমা পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আমফানে ভেঙে পড়া ভিটের সামনে দাঁড়িয়ে এক কিশোর। (AP)
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আমফানে ভেঙে পড়া ভিটের সামনে দাঁড়িয়ে এক কিশোর। (AP)

আমফান বিধ্বস্ত সন্দেশখালি ও পাথরপ্রতিমা পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল

  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্নসচিব অনুজ শর্মার নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতা এসে পৌঁছয় ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় দল। আগেই দলের সদস্যদের সরকারি অতিথি ঘোষণা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

ঘূর্ণিঝড় আমফান বিধ্বস্ত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা পরিদর্শন করতে বেরলো কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতা পৌঁছয় ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় দল। শুক্রবার বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখার পর শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করবে তারা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্নসচিব অনুজ শর্মার নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতা এসে পৌঁছয় ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় দল। আগেই দলের সদস্যদের সরকারি অতিথি ঘোষণা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। 

শুক্রবার ২টি দলে ভাগ হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা পরিদর্শনের বেরিয়েছেন তাঁরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাথরপ্রতিমা ও নামখানা পরিদর্শন করছে একটি দল। অন্য দলটি গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে। আকাশপথে ঘুরে দেখার পাশাপাশি বিধ্বস্ত এলাকায় নেমে ক্ষয়ক্ষতি মেপে দেখতে পারেন তাঁরা। 

ওদিকে বৃহস্পতিবারই এই দলের সদস্যেদের সরকারি অতিথি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর থেকে জারি এক নির্দেশিকায় এই দলের সদস্যদের ভিআইপির সুযোগ সুবিধা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারি আধিকারিক ও কর্মীদের। 

শুক্রবার ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনের পর শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহার সঙ্গে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা। সেখানে রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতির তালিকা কেন্দ্রীয় দলের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তার পর দিল্লি ফিরবেন দলের সদস্যরা। 

কেন্দ্রীয় দলের সদস্যদের সরকারি অতিথি ঘোষণা করলেও বুধবার তাঁদের সফর নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ঝড়ের এতদিন পরে ক্ষয়ক্ষতি মেপে কী লাভ। এর মধ্যে তো অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। এই দল অনেক আগে পাঠানো উচিত ছিল।’

ওদিকে এক টুইটে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় জানিয়েছেন, ‘কেন্দ্রীয় দলের সফরের সব থেকে বেশি ফয়দা কী করে পাওয়া যায় রাজ্য সরকারের তা দেখা উচিত।’

বন্ধ করুন