বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পুজোর আগে মিড–ডে মিল নিয়ে সংশয়, ঘোষিত সামগ্রী মিলছে না বলে অভিযোগ
মিড–ডে মিল খাচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা। ছবি সৌজন্য–এএনআই।
মিড–ডে মিল খাচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

পুজোর আগে মিড–ডে মিল নিয়ে সংশয়, ঘোষিত সামগ্রী মিলছে না বলে অভিযোগ

  • কিন্তু দেখা গেল বুধবার, মহালয়াতেও সেগুলি বিতরণ করা হয়নি। শিক্ষা দফতরের আশ্বাস, এই মাসেই মিড-ডে মিলের সামগ্রী দ্রুত দেওয়া হবে।

দুয়ারে রেশন নিয়ে খাদ্য দফতর–রেশন ডিলারদের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে। তার মধ্যেই মিড–ডে মিলে বাড়তি কিছু মিলছে না বলেই অভিযোগ। এমনকী উৎসবের মাসে যেসব জিনিস দেওয়ার কথা ছিল সেগুলিও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। পুজোর মাস অক্টোবরে কী কী দেওয়া হবে, তা ঘোষণা করা হয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসেই। কিন্তু দেখা গেল বুধবার, মহালয়াতেও সেগুলি বিতরণ করা হয়নি। শিক্ষা দফতরের আশ্বাস, এই মাসেই মিড-ডে মিলের সামগ্রী দ্রুত দেওয়া হবে।

শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবারের পর আর মাত্র দু’‌দিন স্কুল খুলে সামগ্রী দেওয়ার সুযোগ থাকছে। সেখানে বিজ্ঞপ্তি জারি করে মিড–ডে মিলের জিনিসপত্র অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া একপ্রকার অসম্ভব। বরং পুজোর মধ্যে ওই সব জিনিস স্কুলে পড়ে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এই নিয়ে সমস্যা যাতে তৈরি না হয় তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর স্কুলশিক্ষা দফতর জানিয়ে দিয়েছে, অক্টোবর মাসে মিড–ডে মিলে কী কী সামগ্রী দেওয়া হবে। দু’কেজি চাল, দু’কেজি আলু, ২৫০ গ্রাম চিনি, ২৫০ গ্রাম ডাল এবং একটি সাবান দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এই বিষয়ে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হণ্ডা বলেন, ‘‌আমরা অনেকদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছি, পড়ুয়াদের পুষ্টির জন্য নিয়মিত সয়াবিন বা ডিম দেওয়া হোক। দুর্গাপুজোর আগে মিড–ডে মিলের সামগ্রী বিতরণ হয়ে গেলে ভাল হতো।’‌

ছাত্রছাত্রীদের একাংশ জানাচ্ছে, বহু স্কুলেই দুর্গাপুজোর ছুটি পড়ার দিনে বা তার আগের দিনে মিড–ডে মিলে ‘স্পেশাল মেনু’ যোগ হয়। দুপুরের খাবারের নিয়মিত পদের সঙ্গে অতিরিক্ত পদ হিসেবে মাংস বা অন্য কিছু দেয়। মিষ্টি বা পায়েসও খাওয়ানো হয়। একটা মজা ছিল।’‌ তবে মিড–ডে মিল নিয়ে সমস্যা মেটে কিনা এখন সেটাই দেখার।

বন্ধ করুন