বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > sandalwood: আয় বাড়াতে বনাঞ্চলে চন্দনগাছ বসানোর উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

sandalwood: আয় বাড়াতে বনাঞ্চলে চন্দনগাছ বসানোর উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

১ কোটি চন্দনগাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে বন দফতর। (টুইটার)

স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে বনদফতর এই চারা বসানোর কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। লালা চন্দন এবং শ্বেত চন্দন উভয় প্রজাতির চারা আনা হবে বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

বনাঞ্চল থেকে আয় বাড়াতে এবার চন্দনগাছ বাসানোর উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। আগামী বছরের প্রথম কয়েক মাসে ১ কোটি চন্দনগাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে বন দফতর। এ জন্য জানুয়ারি মাস থেকে চন্দন গাছের চারা বিতরণ শুরু হবে বলে দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে বনদফতর এই চারা বসানোর কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। লালা চন্দন এবং শ্বেত চন্দন উভয় প্রজাতির চারা আনা হবে বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

শ্বেত চন্দন চারা বেশ দামি। একটি চারার দাম পড়ে যায় প্রায় ৫০০ টাকার কাছাকাছি। তাই এই চারাগুলি যাতে ভালো ভাবে বেড়ে ওঠে সে জন্য উপযুক্ত পরিবেশ এবং মাটির কথা কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বল দফতরের এক আধিকারিক। সাধারণত যে কোনও রকম মাটিতেই বেড়ে উঠতে পারে চন্দন গাছ। তবে অত্যাধিক গরম ক্ষতি করতে পারে গাছের। তাই এই গাছগুলি বসানোর জন্য অত্যাধিক গরম নয় এমন জায়গা খুঁজে নেওয়া হচ্ছে। উৎকৃষ্ট মানের চন্দন কাঠ উৎপাদনের জন্য ইতিধ্যেই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছে বন দফতর।

ভালো জাতের চন্দন কাঠ তৈরি হতে ১২ থেকে ১৩ বছর সময় লাগে। প্রথম চার-পাঁচ বছর সুগন্ধ না থাকলেও পরেরদিকে আস্তে আস্তে সুগন্ধি হয় চন্দনগাছের কাঠ। তাই চন্দন চারা বসিয়ে লাভ করতে গেলে প্রায় ১৫ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

বন্ধ করুন