বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > তমলুক থানার আইসি বদল হয়ে গেল, হঠাৎ এমন রদবদলের নেপথ্য কারণ কী?

তমলুক থানার আইসি বদল হয়ে গেল, হঠাৎ এমন রদবদলের নেপথ্য কারণ কী?

তমলুক থানার আইসি বদল

গত ৯ জুলাই আক্রমণ করা হয়েছিল তমলুকের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা চঞ্চল কুমার খাঁড়াকে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের তমলুক শহর কমিটির সভাপতি। তাঁকে দেখতে এসেছিলেন কুণাল ঘোষ, সৌমেন মহাপাত্রর নেতৃত্বে তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। তারপর এই ঘটনার প্রতিবাদে তমলুকে একটি মিছিল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা।

কয়েকদিন আগে তমলুকের তৃণমূল কংগ্রেস নেতার উপর ভয়াবহ হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার তাঁকে চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর এলাকায় আসেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি সরাসরি তমলুকের আইসি’‌র বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হন। এমনকী জেলার পুলিশ সুপারের কাছে নালিশ ঠোকেন। আর তার চারদিন পর আজ, মঙ্গলবার দেখা গেল, তমলুক থানার আইসি বদল হয়ে গেল। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে এমনিই সরগরম ছিল রাজ্য–রাজনীতি। আর ফলাফল প্রকাশের পর এমন বদলি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিকে তমলুকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লকের নেতা চঞ্চল খাঁড়ার উপর আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই আক্রমণ বিজেপি করেছে বলেই অভিযোগ কুণাল ঘোষের। এমনকী ওই তৃণমূল নেতাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করতে পুলিশের কর্তব্যে গাফিলতি ছিল বলে অভিযোগ তোলেন কুণাল ঘোষ। এমনকী তমলুকের আইসি বিজেপির কথায় চলছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। নালিশ ঠুকেছিলেন জেলার পুলিশ সুপারের কাছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নেতা শুভেন্দু অধিকারী পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস করেছে বলেও টুইট করেছিলেন তিনি। তবে এই আইসি বদল নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে এই হামলা–আক্রমণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বদলি হয়ে গেলেন তমলুক থানার আইসি। তমলুক থানার আইসি’‌র দায়িত্বে ছিলেন অরূপ সরকার। এবার তাঁকে বদলি করা হল। আর পাঠানো হল দার্জিলিংয়ে। অর্থাৎ উপকূল থেকে সোজা পাহাড়ে। আর তমলুক থানার নতুন আইসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে আসা হল শান্তনু মণ্ডলকে। যদিও জেলা পুলিশের শীর্ষস্তর থেকে বিষয়টিকে রুটিন বদলি হিসেবেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তবে পর পর যে ঘটনা ঘটেছে তারপর এই বদলি রুটিন বলে মানতে নারাজ মানুষজন।

আরও পড়ুন:‌ বাংলায় আসছে বিজেপির দ্বিতীয় টিম, পাঁচ মহিলা সাংসদ গ্রামবাংলা চষে বেড়াবেন

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ গত ৯ জুলাই আক্রমণ করা হয়েছিল তমলুকের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা চঞ্চল কুমার খাঁড়াকে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের তমলুক শহর কমিটির সভাপতি। তাঁকে দেখতে এসেছিলেন কুণাল ঘোষ, সৌমেন মহাপাত্রর নেতৃত্বে তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। তারপর এই ঘটনার প্রতিবাদে তমলুকে একটি মিছিল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা। কুণাল ঘোষ সরাসরি আইসিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিলেন পুলিশকে। তারপর ১৩ জন গ্রেফতার হয়েছিল। এদের মধ্যে ৯ জন জামিন পেলেও বাকি ৪ জন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। আর তার মধ্যেই তমলুক থানার আইসি বদল হওয়ায় চর্চা তুঙ্গে উঠেছে।

বন্ধ করুন