বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'নেতারা কাটমানি খাচ্ছেন, চুরি, ডাকাতি করছেন', বেফাঁস তৃণমূল বিধায়ক
'নেতারা কাটমানি খাচ্ছেন, চুরি, ডাকাতি করছেন' বিধায়কের মন্তব্যে অস্বস্তি তৃণমূলে। প্রতীকী ছবি।
'নেতারা কাটমানি খাচ্ছেন, চুরি, ডাকাতি করছেন' বিধায়কের মন্তব্যে অস্বস্তি তৃণমূলে। প্রতীকী ছবি।

'নেতারা কাটমানি খাচ্ছেন, চুরি, ডাকাতি করছেন', বেফাঁস তৃণমূল বিধায়ক

  • ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের পর এবার বড়ঞার বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহার মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়ল তৃণমূল।

মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব অব্যাহত। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের পর এবার বড়ঞার বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহার মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়ল তৃণমূল। দলের দুই নেতার বিরুদ্ধে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ তুললেন জীবন কৃষ্ণ সাহা। এবিষয়ে তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ জেলার সাংগঠনিক সভাপতি, শাওনি সিংহ রায় বলেছেন, 'বিধায়কের কিছু বলার থাকলে দলের মধ্যেই বলতে পারেন। প্রকাশ্যে এই মন্তব্য দল অনুমোদন করে না।'

সম্প্রতি বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন বাংলার মা। তিনি আমাদের সন্তানের মত মনে করেন। তিনি আমাদের কন্যাশ্রী, রূপশ্রীর মতো প্রকল্প দিয়েছেন। কিন্তু, সেই টাকা দিয়ে নেতারা কাটমানি খাচ্ছেন। যারা চুরি করছেন, ডাকাতি করছেন তাদের সিংহাসন থেকে টেনে নামিয়ে আনতে হবে।' যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। ভিডিয়োতে তিনি নাম না করে বড়ঞার ব্লক তৃণমূল সভাপতি গোলাম মুর্শেদ এবং যুব তৃণমূল সভাপতি মাহে আলমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন।

তিনি বলেছেন, 'দু'জন নেতা রয়েছে মধ্যে একজন মোটরবাইকের পাংচার সারাতেন এখন তিনি স্করপিও চলছেন। আর একজনের মাটির বাড়ি ছিল তার এখন আলিশান বাড়ি রয়েছে। তারা কোথায় এত টাকা পেল?' তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দলের দুই নেতা। গোলাম মুর্শেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, 'বিধায়ক যে কথাগুলো বলেছেন আমি তার ভিডিয়ো নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠিয়েছি। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে আমি মাথা পেতে নেব।' তিনি নিজেকে দলের 'শৃঙ্খলা পরায়ন সৈনিক' বলে দাবি করেছেন।

অন্যদিকে, মাহে আলম বিধায়ককে 'বাচ্চা' বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, 'অল্পদিন হলো বিধায়ক রাজনীতিতে এসেছেন। কোনখানে কি বিষয়ে কথা বলতে হয় তা জানেন না। ঠিকমত কথা বলতে শেখেননি।' অন্যদিকে, দলের নেতাদের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব নিয়ে কটাক্ষ করতে পারেনি বিজেপি।

 

বন্ধ করুন