বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে আদিগঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি কিশোরের
আদিগঙ্গা। ফাইল ছবি।

বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে আদিগঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি কিশোরের

  • দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পরেও না মেলায় তারা অবশেষে পরিবারের লোকেদের খবর দেয়।

বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে মর্মান্তিক পরিণতি হল কিশোরের। ব্রিজ থেকে আদি গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়ার পরেই নিখোঁজ হয়ে গেল অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। ১৯ ঘণ্টা পর পাশের একটি খাল থেকে ওই ছাত্রের নিথর দেহ ভেসে উঠল। ঘটনাটি খিদিরপুর এলাকায় আদিগঙ্গায় ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মৃত কিশোরের নাম আরফাদ হুসেন। ওই কিশোর ওয়াটগঞ্জ থানা এলাকার ওস্তাগার লেনের বাসিন্দা।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল। বন্ধুদের সঙ্গে তার বাজি হয়েছিল যে ব্রিজ থেকে আদি গঙ্গায় ঝাঁপ দিতে হবে। সেইমতো খিদিরপুরে গতকাল দুপুরে ওই ব্রিজ থেকে ঝাঁপ মারে আরফাদ। কিন্তু,তারপরে ঘটে বিপদ! আদি গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়ার আর ভেসে উঠতে দেখা যায়নি ওই কিশোরকে। বিচলিত হয়ে তার বন্ধুরা আদিগঙ্গায় নেমে তার খোঁজ চালায়। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পরেও না মেলায় তারা অবশেষে পরিবারের লোকেদের খবর দেয়। ঘটনায় ওয়াটগঞ্জ থানায় খবর পৌঁছলে ডিএমজি গ্রুপেও খবর পাঠায় পুলিশ।

ডিএমজির কর্মীরা গতকাল দিনভর তল্লাশি চালায়। আরফাদকে খুঁজে না পাওয়ায় আদিগঙ্গা থেকে উঠে পড়ে ওই কর্মীরা। অবশেষে ১৯ ঘণ্টা পর দাইঘাটের কাছে খাল থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ। খালের মাঝখানে মাটির মধ্যে ওই কিশোরের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তারাই পুলিশে খবর দেন।

পুলিশের অনুমান গঙ্গায় ভাটা আসায় ওই কিশোরের দেহ সেখানে আটকে যায়। কিশোরের দেহ উদ্ধার করে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। সত্যি সত্যি জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে কিশোরের মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

বন্ধ করুন