বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > সোশ্যাল মিডিয়ায় সাবধান! দলবিরোধী মন্তব্য করলে আর রক্ষে নেই বিজেপি কর্মীদের
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

সোশ্যাল মিডিয়ায় সাবধান! দলবিরোধী মন্তব্য করলে আর রক্ষে নেই বিজেপি কর্মীদের

  • রাজ্যে বিজেপি যত বাড়ছে ততই বাড়ছে গোষ্ঠীকোন্দল। আর হাতের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন অনেকে। তাতে আদপে মুখ পুড়ছে দলীয় নেতৃত্বের।

নির্বাচনে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারে অন্য দলের থেকে এখনো অনেক এগিয়ে বিজেপি। কী করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বাদ দিয়ে প্রায় সমস্ত বিরোধীকে ধরাশায়ী করেছে কেন্দ্রের শাসক দল। এবার সেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারেই বিজেপি কর্মীদের ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ হল। সূত্রের খবর, এবার থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের সমালোচনা করলে কড়া পদক্ষেপের মুখে পড়তে হবে সেই নেতা বা কর্মীকে। বিজেপির দাবি, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। 

রাজ্যে বিজেপি যত বাড়ছে ততই বাড়ছে গোষ্ঠীকোন্দল। আর হাতের কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন অনেকে। তাতে আদপে মুখ পুড়ছে দলীয় নেতৃত্বের। এই প্রবণতায় রাশ টানতে বৃহস্পতিবার দলের রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠকে ঠিক হয়েছে, এবার থেকে দলের নীতি বিরোধী বা দলের কোনও নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে মন্তব্যকারীকে।

২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখলের জন্য দিনরাত এক করে দিচ্ছেন বিজেপির একাধিক নেতা। তার মধ্যে রয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেনন। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দাবি, নিজেদের ব্যক্তিগত বিবাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় এনে তাঁদের সেই শ্রম পণ্ডশ্রমে পরিণত করছেন দলেরই একাংশের নেতা। তাছাড়া এর পিছনে তৃণমূলের চক্রান্ত দেখছে বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ। তাদের দাবি, বিজেপিকে বদনাম করতে নিজেদের দলের কিছু লোককে বিজেপিতে ঢোকাচ্ছে তৃণমূল। আর বিজেপিতে ঢোকার কিছুদিনের মধ্যেই তারা বিশৃঙ্খলা শুরু করছে। 

এসব আটকাতেই কড়া পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। যার ফলে এবার থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ দলবিরোধী কোনও মন্তব্য করলে তাকে কড়া শাস্তি পেতে হবে। বুথ স্তর থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এই নির্দেশিকা। 

বিজেপির এই নির্দেশ স্ববিরোধী বলে দাবি করেছেন অনেকে। তাদের দাবি, যে দল সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে বিরোধীদের মুখোস খোলার কথা বলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বাক স্বাধীনতার দাবিতে যারা এত সোচ্চার, তারা কী করে নিজের দলের কর্মীদের মুখ বন্ধ করতে পারে?

 

বন্ধ করুন