বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কেন্দ্রীয় নেতারা ফিরে গিয়েছেন, রাজ্য বিজেপি নেতাদের এখন দিশেহারা অবস্থা
দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি (PTI)
দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি (PTI)

কেন্দ্রীয় নেতারা ফিরে গিয়েছেন, রাজ্য বিজেপি নেতাদের এখন দিশেহারা অবস্থা

  • ফলে রাজ্যের নেতা–কর্মী–সমর্থকদের কি করে আটকে রাখা যায় তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

একুশের নির্বাচনের আগে থেকে নির্বাচন শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় আসার আস্ফালন দেখিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতারা। ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর মুখ ঢেকে সরে পড়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ফলে রাজ্যের নেতা–কর্মী–সমর্থকদের কি করে আটকে রাখা যায় তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কারণ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি দল ছিল পশ্চিমবঙ্গে। যা এখন আর কেউ নেই। সুতরাং কার্যত অভিভাবকহীন রাজ্য বিজেপি। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে রাজ্যে সরকার যে বিধি নির্ভর লকডাউন জারি করেছে তাতে বেশিরভাগ নেতাই গৃহবন্দি। এখন তাঁরা আর রাস্তায় নামছেন না। দলের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকছেন। সবমিলিয়ে বিচ্ছিন দ্বীপের বাসিন্দা হয়ে রয়েছেন তাঁরা।

এই রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ, অমিত মালব্য, কৈলাস বিজয়বর্গীয়রা নিজ গৃহে ফিরেছেন। বাংলায় নির্বাচন পরবর্তী হিংসা চলছে বলে বিজেপি যে অভিযোগ তুলেছে তা নিয়ে স্ট্র‌্যাটেজি সাজাতে বাংলায় ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে তিনিও নিজের ডেরায় ফিরেছেন। সর্বশেষ দিল্লি চলে যান অরবিন্দ মেননও।

একুশের নির্বাচনের পরে রাজ্য দফতরে একটি বৈঠকও ডাকা হয়েছিল। সেখানে হাতে গোনা নেতা উপস্থিত ছিল। অধিকাংশই ছিলেন গরহাজির। এমনকী অনেকে রাজ্য নেতৃত্বের ফোন পর্যন্ত ধরছেন না বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এছাড়া রাজ্য বিজেপি নেতাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে গত কয়েক দিনে রাজ্য বিজেপি যেন ভাঙা হাট।

উল্লেখ্য, সোমবার রাজ্যের চার নেতা–মন্ত্রীকে সিবিআই গ্রেফতার করার পরে কার্যত দিশেহারা হয়ে যায় বাংলার বিজেপি নেতারা। বেশ কিছু ক্ষণ পরে মুখ খোলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কারণ এই বিষয়ে দল কী অবস্থান নেবে তার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশের অপেক্ষায় থাকতে হয়। এই বিষয়ে দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন কর্মীদের ঘরে ফেরানোটাই প্রধান কাজ। কিছু মানুষ ভুলে গিয়েছেন। রাজ্যে এখন রাজনৈতিক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। যার অন্যতম উদ্দেশ্য, বিজেপিকে আটকানো।’

বন্ধ করুন