বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Jamtara Gang: জামতাড়া চক্রের তিন ভাই গ্রেফতার, ফোন করে হাওয়া করত টাকা

Jamtara Gang: জামতাড়া চক্রের তিন ভাই গ্রেফতার, ফোন করে হাওয়া করত টাকা

তদন্তে নেমে পুলিশ কলকাতা থেকে একজনকে গ্রেফতার করেছিল। এরপর তাকে জেরা করে পুলিশ একটি চক্রের সন্ধান পায়। এরপর পুলিশ তিনি ভাইয়ের সন্ধান পায়। সেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জামতাড়া চক্রের হদিশ পেল পুলিশ। প্রতীকী ছবি 

সাইবার থানার পুলিশদের ঘুম উড়িয়ে দেয় এই জামতাড়া গ্য়াং। নানা অনলাইন কারসাজিতে অভ্যস্ত। কথার ছলে ভুল বুঝিয়ে হাজার হাজার টাকা ফাঁকা করে দিতে এদের জুড়ি মেলা ভার। একাধিক জনকে পুলিশ গ্রেফতারও করেছে। কিন্তু অপরাধের শেষ হয় না। তবে এবার সেই জামতাড়া গ্যাংয়ের তিন ভাইকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এরাই নাকি অপরাধের কলকাঠি নাড়ত।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ এই জামতাডা় ভাইয়ের সন্ধান পায়। টালিগঞ্জের কবীর রোডের বাসিন্দা এক ব্যক্তির কাছে সিইএসসি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে একটি ফোন আসে। সেখানে বলা হয়েছিল একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। সেটার মাধ্যমে বিদ্যুতের বিল জমা দিতে হবে। আর সেটা না করা হলে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হবে। সেই কথা শুনে আর দেরি করেননি ওই ব্যক্তি। তিনি তার মোবাইলে অ্যাপটি ডাউনলোড করে নেন। আর অ্যাপ ডাউনলোড করতেই তার অ্যাকাউন্ট থেকে ৫০ হাজার টাকা উধাও হয়ে যায়। এরপর আর দেরি করেননি তিনি। তিনি থানায় এনিয়ে অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশ তদন্তে নামে।

তদন্তে নেমে পুলিশ কলকাতা থেকে একজনকে গ্রেফতার করে। এরপর তাকে জেরা করে পুলিশ একটি চক্রের সন্ধান পায়। এরপর পুলিশ তিনি ভাইয়ের সন্ধান পায়। সেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ধৃত তিন ভাইয়ের নাম শিবশঙ্কর মণ্ডল, মিঠুন মণ্ডল ও তপন কুমার মণ্ডল। ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ার কর্মাটাড় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের ব্যাঙ্ক প্রতারণা দমন শাখার আধিকারিকরা।

তবে শুধু যে জামতাড়ায় বসেই প্রতারণা করা হচ্ছে তেমনটা নয়। সম্প্রতি বেলডাঙা থেকে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল। তারাও কার্যত জামতাড়া গ্যাঙের আদলেই কাজ করত। তারাও ফোন করে প্রতারণার ফাঁদ পাতত। তাদের কাছ থেকে ২৬২০টি সিম কার্ড, ২৪টি মোবাইল, ২৫টি এটিএম কার্ড, প্রচুর কিউআর কোড ও বায়োমেট্রিক স্ক্যানার উদ্ধার করেছিল পুলিশ। মুর্শিদাবাদের মির্জাপুরের একটি মোবাইল দোকান থেকে তারা কলকাঠি নাড়ত। একেবারে যেন জামতাড়ার যমজ ভাই। নানা ধরনের পরিচয় দিয়ে ফোন করা হত। এরপরই চলত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কাজ। একাধিক ওয়েবসাইট ব্যবহার করে তারা প্রতারণা করত। তবে ওই মোবাইলের দোকানে হানা দিয়ে হতবাক হয়ে যায় পুলিশ।

তবে জামাতাড়া চক্রের সঙ্গে তাদের কোনও যোগ রয়েছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।