বুধবার মুর্শিদাবাদের এক রেশন দোকানে চলছে বিক্ষোভ।
বুধবার মুর্শিদাবাদের এক রেশন দোকানে চলছে বিক্ষোভ।

কেন্দ্রের দেওয়া রেশন সামগ্রী কি বাজারে চলে যাচ্ছে, প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের

  • এক মাসের রেশন একবারে তোলা তো দূরে থাক, কোথাও কোথাও ৫০০ গ্রাম চাল দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের।

করোনার জেরে বিনামূল্যে রেশন বিলি শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভও শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। বহু জায়গার মানুষ অভিযোগ করছেন, নির্দিষ্ট পরিমান মতো রেশন পাচ্ছেন না তাঁরা। এক মাসের রেশন একবারে তোলা তো দূরে থাক, কোথাও কোথাও ৫০০ গ্রাম চাল দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বীরভূমের কিছু জায়গা থেকে ৫০০ গ্রাম করে চাল মিলছে বলে বুধবার থেকে অভিযোগ আসছিল। অন্যান্য কোনও সামগ্রীর বরাদ্দ নেই বলে জানানো হয় রেশন ডিলারের তরফে। রেশন কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর থেকেও। বিক্ষোভ হয়েছে মালদা-সহ রাজ্যের প্রায় সব জেলায়।

পরিমাণে কম সামগ্রী দেওয়ায় বুধবার আসানসোলের এক রেশন ডিলারকে আটকও করে পুলিশ। অভিযোগ, রেশন বণ্টন নিয়ে বেলাগাম বেনিয়ম হচ্ছে জেলায় জেলায়। কিছু জায়গায় রেশনের সামগ্রী ত্রাণ হিসাবে তৃণমূল নেতারা বিলি করে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এসবের মধ্যেই বৃহস্পতিবার মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার পরিবারপিছু ১৯ কিলোগ্রাম করে রেশন দিচ্ছে। রাজ্য সরকার দিচ্ছে ১০ কিলোগ্রাম করে। বাকি রেশন কি ঘুরপথে বাজারে চলে যাচ্ছে?’

বন্ধ করুন