দীপিকা পাড়ুকোন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রিসাস
দীপিকা পাড়ুকোন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রিসাস

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে WHO প্রধানের সঙ্গে দীপিকার আলোচনা বাতিল!

  • অনিবার্য কারণবশত স্থগিত হয়ে গেল মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দীপিকা পাড়ুকোন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিসাসের বৈঠক। 

মানসিক স্বাস্থ্য, অবসাদের মতো বিষয়গুলি নিয়ে বরাবরই সরব দীপিকা পাডু়কোন। মহামারী করোনার জেরে গোটা বিশ্বে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। যা নিঃসন্দেহে প্রভাব ফেলছে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর। এই বিষয় নিয়েই আজ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিসাসের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা ছিল দীপিকার। তবে শেষ মূহূর্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গেল এই বৈঠক। বুধবার রাতে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এ কথা জানান দীপিকা। তবে কেন বাতিল হল বৈঠক? সেব্যাপরে স্পষ্ট করে কিছুই জানাননি অভিনেত্রী। শুধু বলা হয়েছে ‘অনিবার্য কারণবশত স্থগিত রাখা হচ্ছে’।

যদিও অভিনেত্রী ফের একবার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে অনুরাগীদের জানিয়েছেন, 'এটা মহামারীর সঙ্গে জড়িত খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং আমি আশা করছি মানুষজন মানসিক স্বাস্খ্যকে আরও গুরুত্ব সহকারে দেখা শুরু করবে এই কঠিন সময়ে এবং তারপরেও, অনেক ভালোবাসা'।

বৈঠক বাতিলের কথা ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানান দীপিকা 
বৈঠক বাতিলের কথা ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানান দীপিকা 

দীপিকার তরফে এই বৈঠক বাতিলের কোনও কারণ জানানো না হলেও অনুরাগীদের একাংশ কিন্তু খুশি গোটা ঘটনায়।কারণ হু প্রধানের সঙ্গে দীপিকার এই আলোচনা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছিল তাঁরা। নেটিজেনদের একাংশের দাবি, টেড্রোস আধানম ঘেব্রিসাস জানুয়ারি মাসে মানুষ থেকে মানুষের দেহে করোনাভাইরাস না ছড়ানোর, চিনের দাবিকে মান্যতা দিয়েছিলেন, যা গোটা মানবজাতির জন্য অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। কীভাবে দীপিকা তার সঙ্গে আলোচনা করছেন? প্রশ্ন তুলেছিলেন তাঁরা।

 

 

বারবার প্রকাশ্যে নিজে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন দীপিকা। ২০১৪ সালে ডিপ্রেশনের শিকার হয়েছিলেন রণবীর ঘরনি। এরপরই লিভ, লাভ, লাফ ফাউন্ডেশন শুরু করেন দীপিকা। ২০১৫ সাল থেকে এই সংগঠন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজ করে আসছে। 

চলতি বছরের শুরুতেই ক্রিস্টাল অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দীপিকা জানিয়েছিলেন, ‘…অবসাদ একটা খুব গম্ভীর কিন্তু সাধারণ অসুখ। এটা উপলদ্ধি করতে হবে আর পাঁচটা রোগের মতো উদ্বেগ এবং অবসাদও একটা রোগ এবং এই রোগের চিকিত্সা সম্ভব। আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আমাকে লিভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশন তৈরির অনুপ্রেরণা দিয়েছে’। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরির জন্যই জানুয়ারি মাসে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তরফে সম্মান জানানো হয় দীপিকাকে।

 

বারবার প্রকাশ্যে নিজে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন দীপিকা। ২০১৪ সালে ডিপ্রেশনের শিকার হয়েছিলেন রণবীর ঘরনি। এরপরই লিভ, লাভ, লাফ ফাউন্ডেশন শুরু করেন দীপিকা। ২০১৫ সাল থেকে এই সংগঠন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজ করে আসছে। 

চলতি বছরের শুরুতেই ক্রিস্টাল অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দীপিকা জানিয়েছিলেন, ‘…অবসাদ একটা খুব গম্ভীর কিন্তু সাধারণ অসুখ। এটা উপলদ্ধি করতে হবে আর পাঁচটা রোগের মতো উদ্বেগ এবং অবসাদও একটা রোগ এবং এই রোগের চিকিত্সা সম্ভব। আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আমাকে লিভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশন তৈরির অনুপ্রেরণা দিয়েছে’। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরির জন্যই জানুয়ারি মাসে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তরফে সম্মান জানানো হয় দীপিকাকে।

বন্ধ করুন