বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'ভয় নেই, পাশে আছি...', বাংলাদেশের হিন্দুদের বার্তা আওয়ামি লিগ নেতার
হিন্দুদের উপর ক্রমাগত হামালার প্রতিবাদ বাংলাদেশে (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স) (REUTERS)
হিন্দুদের উপর ক্রমাগত হামালার প্রতিবাদ বাংলাদেশে (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স) (REUTERS)

'ভয় নেই, পাশে আছি...', বাংলাদেশের হিন্দুদের বার্তা আওয়ামি লিগ নেতার

  • চট্টগ্রামের একটি সমাবেশে যোগ দিয়ে চট্টগ্রাম আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক আজম নাসিরউদ্দিন বলেন, ‘কোনও ভয় নেই। সরকার ও আওয়ামি লিগ সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছে।’

দুর্গাপুজোর সময় বাংলাদেশ জুড়ে তাণ্ডব দেখা গিয়েছিল মৌলবাদীদের। প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রদায়িক আগুন জ্বলতে দেখা গিয়েছিল। এরপর হাসিনা সরকারের তরফে কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হলেও বহু স্তরেই সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাস্তায় নেমেছিলেন বাংলাদেশের সুশীল সমাজ ও সংখ্যালঘু হিন্দুরা। এই পরিস্থিতিতে বারংবার পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে মৌলবাদ নির্মূল করার দওয়াই মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার হিন্দুদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র তথা মহানগর আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক আজম নাসিরউদ্দিন।

শুক্রবার চট্টগ্রামের একটি সমাবেশে যোগ দিয়ে নাসিরউদ্দিন বলেন, 'কোনও ভয় নেই। সরকার ও আওয়ামি লিগ সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছে। নির্ভয়ে হিংসার ঘটনায় সাক্ষ দেবেন আপনারা। যেই ব্যক্তিরা সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করেছে, তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। কিন্তু আদালতে যদি সাক্ষী না দিয়ে শুধু মুখে কথা বলা হয়, তাহলে বিতারক কিছু করতে পারবেন না।' তিনি আরও অভিযোগ করেন, 'দুর্গাপুজোর সময় কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরান রাখার ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দাঙ্গা লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল।'

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে হিন্দুদের স্বার্থে আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হিন্দু মহাজোট। হিন্দু মহাজোটের তরফে আয়োজিত এক সাংবদিক বৈঠকে শুক্রবারই সরকারের কাছে ৩ দফা দাবি পেশ করা হয়। সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে ১৫ দিনের মধ্যে দাবিগুলি না মানা হলে পথে নামবেন সেদেশের হিন্দুরা। সংগঠনের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত মন্দির ও স্থাপনা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এছাড়া সেদেশের জাতীয় সংসদে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য ৬০টি আসন সংরক্ষিত করতে হবে। তাদের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক তৈরি করতে হবে ও অন্তত ১ জন হিন্দুকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দিতে হবে।

বন্ধ করুন