বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সীমান্ত পাহারায় ৭,৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢেলে সাজছে যোগাযোগ ব্যবস্থা
সীমান্ত সুরক্ষায় ৭,৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চালু হচ্ছে অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
সীমান্ত সুরক্ষায় ৭,৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চালু হচ্ছে অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।

সীমান্ত পাহারায় ৭,৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢেলে সাজছে যোগাযোগ ব্যবস্থা

  • প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি নজরে রেখেই ৭,৮০০ কোটি টাকার নতুন কমিউনিকেশন সিস্টেম নেটওয়ার্ক গড়ার ছাড়পত্র দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক।

সীমান্ত সুরক্ষায় ৭,৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে নতুন কমিউনিকেশন সিস্টেম।

বারবার আলোচনায় বসলেও চিনের বেয়াদপি এতটুকু কমেনি। তাই চিনের আগ্রাসন এবং পাকিস্তানের নাশকতা দুয়ের মোকাবিলা করতেই নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। সীমান্তে যাবতীয় পরিস্থিতির প্রতিরোধে ভারতীয় প্রতিরক্ষাও এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। দিল্লি থেকে সীমান্ত এলাকাগুলিতে নতুন সংযোগ ব্যবস্থার জন্য ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। সুতরাং লাদাখ হোক বা উপত্যকার সীমান্ত, এবার কড়া টক্কর হবে শত্রুপক্ষের সঙ্গে বলে মনে করা হচ্ছে।

সম্প্রতি লাদাখে চিন–ভারত সংঘর্ষ বিশ্বের দরবারে জোর চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। এবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি নজরে রেখেই ৭,৮০০ কোটি টাকার নতুন কমিউনিকেশন সিস্টেম নেটওয়ার্ক গড়ার ছাড়পত্র দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। এমনকী ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি এই বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছে। সুতরাং নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।

জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার হাতে ১০ লাখ হ্যান্ড গ্রেনেড পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নাগপুরের ইকোনমিক এক্সপ্লোসিভ লিমিটেডের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার হ্যান্ড গ্রেনেড তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। সুতরাং ভারতীয় সেনাবাহিনী ১০ লাখ গ্রেনেড পেতে চলেছে। এক্ষেত্রে ৪০৯ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এইসব জিনিসগুলি ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে কবে পৌঁছবে তা নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

ক্যাবিনেট কমিটি ছাড়পত্র দিয়েছে আর্মি স্ট্যাটিক সুইচড কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ফেজ ফোর এবার যাতে কার্যকর হয়। সুতরাং টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরের আওতায় এবার সীমান্তের নিরাপত্তাকে ঢেলে সাজানো হবে। ৭৭৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আগামী ৩ বছরের মধ্যে সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এক্ষেত্রে এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে। এক, নিজের মধ্যে সমন্বয় দ্রুত গড়ে তোলা যাবে। দুই, শত্রুপক্ষের গতিবিধি বেশ কিছুটা আগে থেকেই ধরে ফেলা সম্ভব হবে।

এতে কী লাভ হবে?‌ ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রত্যন্ত এলাকায় অপারেশনে নামলেও এই সিস্টেমের হাত ধরে সংযোগ রক্ষা করা সম্ভব। ফরোয়ার্ড লোকেশনে ভারতীয় সেনাবাহিনী এগিয়ে যেতে চাইলে, এই সিস্টেম কার্যকরী হবে। লাদাখ সংঘাত নজরে রাখলে দেখা যাবে, এই ব্যবস্থা ভারতের রণনীতি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বড় সুবিধা করে দেবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই সমস্ত পদক্ষেপের জন্য আগামী দিনে শীতকালীন যুদ্ধকেই পাখির চোখ করা হয়েছে।

বন্ধ করুন