বাংলা নিউজ > ময়দান > স্বপ্ন অধরা, তাই থামছেন না মন্ত্রীমশাই, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা জানালেন মনোজ
মনোজ তিওয়ারি। ছবি- টুইটার (@tiwarymanoj)।

স্বপ্ন অধরা, তাই থামছেন না মন্ত্রীমশাই, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা জানালেন মনোজ

  • হাঁটুতে ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থাতেই রঞ্জি সেমিতে নেমে সেঞ্চুরি হাঁকান বাংলার তারকা ক্রিকেটার।

গতবার ফাইনালে পৌঁছে হারতে হয়েছিল, এবার সেমিফাইনালে মধ্যপ্রদেশের কাছে হেরেই রঞ্জি জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বাংলার। সেমিফাইনালে মনোজ তিওয়ারির দুরন্ত সেঞ্চুরিও বাঁচাতে পারেনি বাংলাকে। ৩৬-র মনোজ এখন রাজ্যের মন্ত্রীও বটে। এই মরশুম শেষে এবার ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে কি মন্ত্রী হিসাবেই নিজের পুরো সময়টা ব্যয় করবেন মনোজ, এই প্রশ্ন কিন্তু এখন সকলের মুখে মুখে।

সেইসব জল্পনা কল্পনা নিয়ে প্রকাশ্যে নিজেই মুখ খুললেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার। News9 Sports-কে এক সাক্ষাৎকারে মনোজ জানান, ‘এখন অবসর নেওয়ার কোনও প্রশ্নই আসছে না। রঞ্জি ট্রফি জেতার খিদেটা এখনও আমার মধ্যে রয়েছে। আমি খেলা চালিয়ে যাব। আমি আজ যেটুুকু যা পেয়েছি, সবটাই ক্রিকেটের জন্য এবং এই খেলার প্রতি আমার ভালবাসা একটুও কমেনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও সিনিয়র ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের থেকে আমি পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি। ওঁরা আমায় খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন এবং তাই জন্যই আমি খেলতে পেরেছি।’

মনোজ জানান খেলা ও মন্ত্রীত্ব, দুই একসঙ্গে চালিয়ে যাওয়াটা কঠিন হলেও, তিনি সকালে খেলোয়াড় হিসাবে নিজের দায়িত্ব পালন করার পরই, রাতে মন্ত্রী হিসাবে নিজের ভূমিকায় না না দায়িত্ব পালন করতেন। তবে এই দুই দায়িত্ব সামলেও পাঁচ ম্যাচে মোট ৪৩৩ রান করে তিনি এ মরশুমে বাংলার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হিসাবে মরশুম শেষ করেছেন। কোয়ার্টার ও সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েও সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট নন মনোজ। ‘এই দুই সেঞ্চুরি স্বস্তিদায়ক হলেও, আমি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হতে পারছি না। বাংলা ফাইনালে কোয়ালিফাই করে ট্রফি জিতলেই আমি পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতাম।’ দাবি তাঁর।

তবে সমালোচকদের জবাব দিতে পারায় খুশি তিনি। তাঁর মধ্যে যে এখনও খিদেটা এতুটুকুও কমেনি, তা এক ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট করে দেন মনোজ তিওয়ারি। তিনি বলেন, ‘অনেকেই রাজনীতিতে নামার পরেও, আমি কেন খেলা চালিয়ে যাচ্ছি, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। আমি জানতাম আমার মধ্যে সেই আগুনটা রয়েছে, এখনও আমি কিছু ম্যাচ খেলতে পারি। বাংলাকে রঞ্জি জেতানোর ইচ্ছাটাই আমার প্রেরণা। রাজনীতিতেত ঢোকা মানেই আমার খেলোয়াড় হিসাবে জীবন শেষ নয়, সেটা আমার প্রমাণ করার প্রয়োজন ছিল এবং করতে পরেছিও। আমার তো সেমিফাইনালে খেলার কথাই ছিল না। আমি হাঁটুর সমস্যায় ভুগছিলাম। আমার হাঁটুতে ব্যান্ডেজ করা অবস্থায়, ওষুধ খেয়ে এবং ফিজিওদের সুবােদেই মাঠে নামতে পেরেছিলাম।’ বলে জানান বাংলার সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার।

 

বন্ধ করুন