বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > কলঙ্কিত ভারতীয় ফুটবল-রক্তে মরফিনের নমুনা মেলায় ২বছর নির্বাসিত ATK MB-র প্রাক্তনী
আশুতোষ মেহতা।

কলঙ্কিত ভারতীয় ফুটবল-রক্তে মরফিনের নমুনা মেলায় ২বছর নির্বাসিত ATK MB-র প্রাক্তনী

  • গত বছর ৮ ফেব্রুয়ারি আশুতোষ মেহতার মূত্রের নমুনা নেওয়া হয়। ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির নিয়ম মেনেই তাঁর মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরপর টেস্টের ফল হাতে আসার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল।

ফের লজ্জার মুখে পড়তে হল ভারতীয় ফুটবলকে। তাও এটিকে মোহনবাগানের প্রাক্তন তারকা ফুটবলারের জন্য। মরফিন নামক নিষিদ্ধ মাদক সেবনের দায়ে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করা হল আশুতোষ মেহতাকে। ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হওয়ায় জাতীয় মাদক বিরোধী সংস্থা (নাডা) দু বছরের জন্য নির্বাসিত করেছে এই মিডফিল্ডারকে।

ভারতীয় ফুটবলে রাইট ব্যাক হিসেবে খুব পরিচিত নাম। আই লিগ এবং আইএসএলে দীর্ঘ সময় খেলেছেন। এক সময় আই লিগের ক্লাব মুম্বই এফসি-র হয়ে খেলা শুরু করেছিলেন তিনি। এর পর আইএসএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি টিম মুম্বই সিটি এফসি, এটিকে মোহনবাগান, পুনে সিটি এফসি, নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের হয়েও খেলেছেন। কিবু ভিকুনার কোচিং-এ মোহনবাগানের আই লিগজয়ী দলের সদস্যও ছিলেন তিনি। ক্লাব ফুটবলে ২০৭টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তবে জাতীয় দলের হয়ে মাত্র একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন আশুতোষ।

আরও পড়ুন: কলকাতা লিগকে বাড়তি গুরুত্ব ইস্টবেঙ্গলের, ভিন রাজ্য থেকে ৬ ফুটবলার নিল লাল-হলুদ

প্রসঙ্গত, ১৪ সেপ্টেম্বরের একটি নির্দেশিকায় অ্যান্টি ডোপিং ডিসিপ্লিনারি প্যানেলের তরফে এই নির্বাসনের কথা জানানো হয়েছে। তাঁর মূত্রের নমুনায়, মরফিন পাওয়া গিয়েছে। গত বছর আইএসএল হয়েছিল গোয়াতে। কোভিডের কারণে জৈব-সুরক্ষা বলয়ে ম্যাচ হয়। শুধুমাত্র ফাইনালে দর্শক উপস্থিতির অনুমতি ছিল। ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির তরফে ১৬ পাতার নির্দেশিকায় আশুতোষ মেহতার বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্টিম্যাচের মেয়াদ বাড়ার দিনেই খারাপ খবর, আর I-League খেলবে না ইন্ডিয়ান অ্যারোজ

জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের আইএসএল চলার সময় মরফিন নামক মাদক নিয়েছিলেন আশুতোষ মেহতা। গত বছর ৮ ফেব্রুয়ারি হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে তিনি ডোপ টেস্টে ব্যর্থ হন। সেই জন্য তাঁকে দলে জায়গা দেওয়া হয়নি। নাডাকে আশুতোষ মেহতা যে তথ্য দিয়েছেন সেই বিষয়েও উল্লেখ রয়েছে এই নির্দেশিকায়। সেখানে উল্লেখ রয়েছে, শুনানির সময় আশুতোষের দাবি ছিল, সবুজ-মেরুনের এক সতীর্থের পরামর্শে ওষুধ নিয়েছিলেন। এমন কী মরফিনকে আয়ুর্বেদিক ওষুধ বলে দাবি করেন তিনি। যাইহোক সেই অযৌক্তিক দাবিকে গুরুত্বই দেওয়া হয়নি। তাঁকে কড়া শাস্তির মুখেই পড়তে হয়েছে।

বন্ধ করুন