বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল ২০২০ > DC vs SRH: ম্যাচের সেরা হলে মা সারারাত কথা বলত, এখন আর ফোন আসে না, মাতৃবিয়োগের যন্ত্রণা রশিদের গলায়
রশিদের উচ্ছ্বাস। ছবি- আইপিএল।
রশিদের উচ্ছ্বাস। ছবি- আইপিএল।

DC vs SRH: ম্যাচের সেরা হলে মা সারারাত কথা বলত, এখন আর ফোন আসে না, মাতৃবিয়োগের যন্ত্রণা রশিদের গলায়

  • সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে কার্যত একার হাতে দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটিং লাইনআপকে বিধ্বস্ত করেন আফগান তারকা।

আরসিবির বিরুদ্ধে আইপিএলের প্রথম ম্যাচে (৩১/০) তেমন একটা প্রভাবশালী বোলিং করতে পারেননি। কেকেআরের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে (২৫/১) ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচেই পরিচিত মেজাজে রশিদ খান। ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে ৩ জন ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দেন আফগান তারকা। তুলে নেন শিখর ধাওয়ান, শ্রেয়স আইয়ার ও ঋষভ পন্তের মূল্যবান উইকেট। কার্যত একার হাতেই দিল্লির ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি।

(আইপিএলের যাবতীয় আপডেট ও লাইভ স্কোর জানতে ক্লিক করুন এখানে।)

স্বাভাবিকভাবেই এমন অনবদ্য পারফর্ম্যান্সের স্বীকৃতিও পেয়েছেন রশিদ। ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার উঠেছে তাঁর হাতে। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে সঙ্গত কারণেই নিজের পারফর্ম্যান্স নিয়ে খুশি প্রকাশ করেন রশিদ। তবে খুশির থেকেও বেশি যন্ত্রণা ঝরে পড়ে তারকা স্পিনারের গলায়।

আসলে গত দেড় বছরে নিজের বাব-মা'কে হারিয়েছেন রশিদ। বিশেষ করে ৩-৪ মাস আগে মাতৃবিয়োগের যন্ত্রণা এখনও টাটকা রশিদের মনে। তাঁর খেলার সবথেকে বড় ভক্ত মায়ের কাছ থেকে আর ম্যাচের শেষে কখনও ফোন আসবে না, এই বিষয়টাই মেনে নেওয়া কঠিন রশিদের।

ম্যাচের সেরার পুরস্কার নেওয়ার সময় তাই আবেগপ্রবণ শোনায় রশিদকে। তিনি বলেন, 'গত দেড় বছর আমার কাছে খুব কঠিন সময় কেটেছে। প্রথমে আমার বাবা এবং ৩-৪ মাস আগে আমার মা মারা গিয়েছেন। আমার এই পারফর্ম্যান্স, আমার এই ম্যান অফ দ্য ম্যাচের ট্রফি ওঁদের উৎসর্গ করছি। দেড় বছরের এই ধাক্কা সামলে ক্রিকেটে ফেরা কঠিন ছিল। মা আমার ক্রিকেটের সবথেক বড় অনুরাগী ছিলেন। আইপিএলেরও বড় ভক্ত ছিলেন। উনি সবসময় আমার খেলা দেখতেন। আমার উইকেট নেওয়া উপভোগ করতেন। যখনই আমি ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেতাম, সারারাত আমার সঙ্গে কথা বলতেন। এগুলো আমি খুব মিস করছি। ওঁদের স্মৃতি সবসময় আমার সঙ্গে রয়েছে।'

বন্ধ করুন