বাংলা নিউজ > ভাগ্যলিপি > Global Day of Parents 2021: কেমন অভিভাবক আপনি? রাশি দেখে জেনে নিন
আজ, ১ জুন পালিত হয় গ্লোবাল ডে অফ পেরেন্টস।
আজ, ১ জুন পালিত হয় গ্লোবাল ডে অফ পেরেন্টস।

Global Day of Parents 2021: কেমন অভিভাবক আপনি? রাশি দেখে জেনে নিন

  • মেষ রাশির অভিভাবকরা ন্যায় প্রিয় হয়ে থাকেন। নিজের সন্তানকে প্রয়োজনীয়তা হিসেবে ভালোবাসা দিয়ে থাকেন এঁরা।

জ্যোতিষে উল্লিখিত ১২টি রাশির সাহায্যে ব্যক্তির স্বভাব, বর্তমান ও ভবিষ্যতের জ্ঞান অর্জন করা যায়। ঠিক তেমনই রাশি বিচার করে জানা যায় কোন রাশির জাতকরা কেমন অভিভাবক। প্রতি বছর ১ জুন পালিত হয় গ্লোবাল ডে অফ পেরেন্টস। অভিভাবকদের সমর্পিত আজকের দিনটিতে জানুন, রাশি অনুযায়ী কেমন অভিভাবক আপনি।

মেষ- এই রাশির অভিভাবকরা ন্যায় প্রিয় হয়ে থাকেন। নিজের সন্তানকে প্রয়োজনীয়তা হিসেবে ভালোবাসা দিয়ে থাকেন এঁরা। অহেতুক প্রয়োজনাতিরিক্ত ভালোবাসা দিয়ে নিজের সন্তানকে নষ্ট করেন না। তবে তাঁর অর্থ এই নয় যে, নিজের সন্তানের প্রয়োজনীয়তার প্রতি এঁদের কোনও নজর নেই। সন্তানের যখন যে ধরণের স্বাধীনতা প্রয়োজন, তা প্রদান করেন এই রাশির অভিভাবকরা। মেষ রাশির জাতকরা ভালো অভিভাবক। কিন্তু আরও ভালো অভিভাবক হতে গেলে এই রাশির জাতকদের নিজের সন্তানের সঙ্গে আরও সময় কাটানো উচিত।

বৃষ- এই রাশির জাতকরা সন্তানের ক্ষেত্রে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে অন্যের দেখাদেখি কাজ করে থাকেন। অন্য মা-বাবা কী ভাবে নিজের সন্তানকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন, তার ওপর ভিত্তি করে নিজের সন্তানকে শাসন করেন বৃষ রাশির অভিভাবকরা। এ কারণে বৃষ রাশির অভিভাবকরা স্ট্রিক্ট হন। নিজের সন্তানকে স্বাধীনতা প্রদান করলে এবং অন্যের নকল না-করে, নিজের সিদ্ধান্তে সন্তানকে সঠিক পথে চালিত করলে তাঁরা ভালো অভিভাবক হয়ে উঠতে পারবেন।

মিথুন- নিজের স্বভাবের মতো পেরেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে এই রাশির জাতকদের দু ধরণের ব্যবহার দেখা যায়। মিথুন রাশির অভিভাবকরা নিজের সন্তানের প্রতি অত্যধিক সংবেদনশীল হন। তাঁদের একা কোথাও যেতে না-দেওয়া, প্রতি মুহূর্তের খবর রাখা ইত্যাদি করে থাকেন মিথুন অভিভাবকরা। আবার অন্যদিকে সন্তানকে তাদের নিজের পরিস্থিতির ওপর ছেড়ে দিতে দ্বিধা বোধ করেন না। অন্যের সন্তানের সঙ্গে নিজের বাচ্চার তুলনা করে সমস্যা ডেকে আনেন এই রাশির অভিভাবকরা।

কর্কট- এই রাশির জাতকরা আবার হাসি-খুশি অভিভাবকের তালিকায় পড়েন। কারণ যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজের সন্তানকে বন্দি করে রাখতে ভালোবাসেন না এঁরা। চিন্তাভাবনা-সহ নানান ক্ষেত্রে নিজের সন্তানকে স্বাধীনতা প্রদান করেন। তবে মাঝে মধ্যে নিজের সন্তানের জন্য কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত অভিভাবকদেরই নেওয়া উচিত। না-হলে ভবিষ্যতে অনুতাপ হতে পারে।

সিংহ- সিংহ রাশির অভিভাবকদের ধ্যান-জ্ঞান সবই তাঁদের সন্তান। বাচ্চাদের সময় দেওয়া, তাঁদের ইচ্ছা-আকাঙ্খার প্রতি নজর রাখা, স্বাধীনতা প্রদান, এঁদের পেরেন্টিংয়ের বিশেষ দিক। তবে সন্তানের সমস্ত ইচ্ছা পূরণের পরিবর্তে তাদের সঙ্গে আবেগের সম্পর্কে জড়িয়ে থাকা উচিত সিংহ রাশির অভিভাবকদের। 

কন্যা- কন্যা রাশির অভিভাবকরা নিজের সন্তানকে যতটা স্বাধীনতা দেন, তার চেয়ে বেশি স্বাধীনতা অন্য কোনও রাশির অভিভাবক নিজের সন্তানকে দিতে পারেন না। সন্তানের কোনও চাহিদা বা ইচ্ছা বুঝতে পেরে, তাদের চাওয়ার আগে এই রাশির অভিভাবকরা সেই ইচ্ছা পূরণ করে দেন। তবে এই রাশির অভিভাবকদের নিজের সন্তানের কোন প্রয়োজনীয়তা কখন, কী ভাবে পূরণ করা উচিত এবং কতটা স্বাধীনতা দেওয়া উচিত তা বুঝতে হবে, না-হলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে পারেন তাঁরা।

তুলা- নিজের তুলনামূলক ব্যবহাররে মতোই নিজের সন্তানকে ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে জানেন এই রাশির অভিভাবকরা। সন্তানকে কতটা স্বাধীনতা দেওয়া যেতে পারে, আবার তাদের কোন চাহিদা পূরণ করা উচিত এবং কোনটি এক্কেবারেই করা উচিত নয়, এ সব বিষয় লক্ষ্য রাখেন এই রাশির অভিভাবকরা। কখনও নিজের সন্তানকে তাদের নিজস্ব পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে, তা করতে বিলম্ব করবেন না।

বৃশ্চিক- এই রাশির অভিভাবকরা নিজের সন্তানের বিষয় একটু বেশিই আবেগপ্রবণ। এ কারণে নিজের সন্তানকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা দিতে পারেন না। সন্তান যাতে কোনও সমস্যার মুখে না-পড়ে সে বিষয় চিন্তিত থাকেন এঁরা। তবে মাঝেমধ্যে সন্তানের কথাও শোনা উচিত বৃশ্চিক রাশির অভিভাবকদের। সন্তান নিজের জীবন কী ভাবে চালনা করছে, তা-ও দেখা উচিত এই রাশির মা-বাবাদের।

ধনু- এই রাশির অভিভাবকরা নিজের সন্তানকে খুব বেশি ভালোবাসা দিয়ে থাকেন। তাঁদের সমস্ত ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা এক বাক্যে পূর্ণ করেন। শুধুমাত্র নিজের সন্তানের দিকেই ধ্যান কেন্দ্রীভূত রাখেন এই রাশির অভিভাবকরা। তাদের ভালোবাসা দিতে ও চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে এই রাশির মা-বাবারা বাচ্চার জন্য ঠিক-ভুল বিচার করতে ভুলে যান।

মকর- মকর রাশির অভিভাবকরা নিজের সন্তানের ওপর পুরো নজর রাখেন। এই অভিভাবকরা এক্কেবারই চান না যে, সন্তান তাঁদের না-জিগ্যেস করে এমন কোনও কাজ করুক যা তাঁদের পছন্দ নয়। তবে এই রাশির অভিভাবকদের এমন অভ্যাস তাঁদের সন্তানকে খিটখিটে মেজাজের করে তোলে। প্রতিটি বিষয়ে মা-বাবার সমর্থন না-পাওয়ায় বাচ্চারা লুকিয়ে লুকিয়ে কাজ করতে শুরু করে। তাই মকর রাশির অভিভাবকদের অবিলম্বে সন্তানের প্রতি নিজেদের কঠোর মনোভব ত্যাগ করা উচিত।

কুম্ভ- এই রাশির অভিভাবকরা বাকি সমস্ত অভিভাবকদের জন্য উদাহরণ স্বরূপ। এঁরা নিজের সন্তানের যে কোনও সমস্যার সময় তাদের পাশে থাকেন। পড়াশোনা থেকে শুরু করে জীবনের সঙ্গে জড়িত যে কোনও বিষয় হোক না-কেন এই রাশির অভিভাবকরা সন্তানের চোখে শ্রেষ্ঠ মা-বাবা হয়ে থাকেন। তবে মাঝেমধ্যে নিজের সন্তানের কথা মন দিয়ে শুনে, তাদের ঠিক-ভুলের শিক্ষা দেওয়া উচিত।

মীন- এই রাশির অভিভাবকরা বুদ্ধিমান ও মানসিক দিক দিয়ে স্থির হন। বাচ্চাদের জন্য কোনটি উচিত বা কোনটি অনুচিত, আবার প্রতিদিন তাদের কী ধরণের ছাড় বা সমর্থন দেওয়া যেতে পারে, এ সমস্ত বিষয় তাঁরা নজর রাখেন। তবে এই রাশির মা-বাবা নিজের নেওয়া সিদ্ধান্ত সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেন। সন্তানের নেওয়া সিদ্ধান্তের ওপর খুব একটা বিশ্বাস রাখেন না মীনের অভিভাবকরা। তাঁদের এই স্বভাবের কারণে সন্তানের আত্মবিশ্বাস আহত হয়।

বন্ধ করুন