বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় ঢুকল চিনের নাগরিক, আটক করল বিএসএফ, চলছে জেরা
চিনের নাগরিক হান জুনেই।
চিনের নাগরিক হান জুনেই।

সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় ঢুকল চিনের নাগরিক, আটক করল বিএসএফ, চলছে জেরা

  • বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে মিলিক সুলতানপুর এলাকায় ঢুকে পড়েন এই চিনের নাগরিক।

সবে গতকাল নিউটাউনে নিকেশ করা হয়েছে দুই গ্যাংস্টারকে। তাদের ছিল পাক যোগ। এবার সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মালদহে আটক করা হল সন্দেহভাজন চিনের নাগরিককে। এই ঘটনায় তোলপাড় হয়ে গিয়েছে বাংলা তথা ভারত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে মিলিক সুলতানপুর এলাকায় ঢুকে পড়েন এই চিনের নাগরিক। করোনাভাইরাসের আবহে চিনের নাগরিক বাংলায়—কপালে চোখ উঠেছে প্রশাসনের। সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় ঘোরাঘুরির করার সময় তাঁকে আটক করে বিএসএফ। তাঁর কাছ থেকে প্রচুর নগদ টাকা এবং অত্যাধুনিক গ্যাজেট উদ্ধার হয়েছে। এখন তাঁকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

কী উদ্দেশ্যে তিনি এই রাজ্যে ঢুকেছেন?‌ কার সাহায্য এখানে এলেন?‌ চিন থেকে বাংলাদেশ এবং তার পর সীমান্ত পেরিয়ে বাংলার মাটিতে পা রাখা নিয়ে এখন তোলপাড় হচ্ছে গোটা দেশ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলছে জেরাও। মিলিক সুলতালপুর এলাকায় চিনের নাগরিককে আটকের ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ভারতের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তবে তিনি যদি সত্যিই ভুল করে এই দেশে ঢুকে থাকেন তাহলে দিল্লি–বেজিং কূটনৈতিক দৌত্যের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিকে চিনে ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে বিএসএফ সূত্রে খবর।

বিএসএফ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে মালদহের কালিয়াচক থানার মিলিক সুলতানপুর এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় চিনের ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে। আটক করার পর জানা যায় তাঁর নাম হান জুনেই। তাঁর কাছ থেকে চিনের পাসপোর্ট এবং বাংলাদেশের ভিসা মিলেছে। পরে তল্লাশি করতেই ওই ব্যক্তির কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, তিনটি মোবাইল, ভারত–বাংলাদেশ–আমেরিকার প্রচুর নগদ টাকা উদ্ধার হয়। তাঁকে আপাতত জেরা করছে বিএসএফ জওয়ানরা।

মিলিক সুলতানপুর এলাকা বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চল। সেই এলাকার অনেকাংশে বেড়া দেওয়া হয়নি। সেই এলাকা দিয়েই তিনি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছেন বলে খবর। এই এলাকা বরাবরই জাল নোট পাচারের স্বর্গরাজ্য। বহু অপরাধীও এই এলাকায় গা–ঢাকা দিয়ে থাকে। এই বিষয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, আমাদের কাছে এথনও হস্তান্তর করা হয়নি। হাতে পেলে তদন্ত করে দেখব।

বন্ধ করুন