বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌আর কত খাবেন?’‌ প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভর্ৎসনা জেলা পরিষদ কর্মাধ্যক্ষদের
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘‌আর কত খাবেন?’‌ প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভর্ৎসনা জেলা পরিষদ কর্মাধ্যক্ষদের

  • বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে অভিযোগ জানান জেলা পরিষদের ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী আগে এই খবর পেয়েছিলেন নিজস্বভাবে। তাই দুটি পক্ষ থেকে আসা খবর মিলে যাওয়ায় প্রচণ্ড রেগে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার ঝাড়গ্রামের প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েই রণংদেহী মেজাজ দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানে এসে তিনি নানা অভিযোগ পান। তারপরই জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষদের চরম ভর্ৎসনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা পরিষদের পূর্ত বিভাগের টেন্ডার নিয়ে অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। আর তাতেই ক্ষোভ উগনে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ঠিক কী ঘটেছে ঝাড়গ্রামে?‌ আজ, বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে অভিযোগ জানান জেলা পরিষদের ভূমি কর্মাধ্যক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী আগে এই খবর পেয়েছিলেন নিজস্বভাবে। তাই দুটি পক্ষ থেকে আসা খবর মিলে যাওয়ায় প্রচণ্ড রেগে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নালিশ করা হয় পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শুভ্রা মাহাতো এবং জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ উজ্জ্বল দত্তের বিরুদ্ধে। জেলা পরিষদের পূর্ত বিভাগের টেন্ডারে কারসাজি করেন ওই দুই সদস্য বলে অভিযোগ। শুনেই ফুঁসে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। তখন ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, ‘‌আর কত খাবেন? তৃণমূল এত দিতে পারবে না। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে দেখবেন জেলাশাসক।’‌

ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?‌ এদিন তিনি অভিযোগ পেয়ে বলেন, ‘‌আর কত খাবেন? এবার কি হিরের চচ্চড়ি নাকি সোনার ডালনা খাবেন? এত দিতে পারবে না তৃণমূল। অনেক পেয়েছেন। উজ্জ্বলের নামে আগেও অভিযোগ শুনেছি। এবার শেষবার সতর্ক করছি। না হলে গ্রেফতার করিয়ে দেব। আর শুভ্রা মহিলা হয়েও এত লোভ কীসের? নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে মেয়েটাকে ভয় দেখাবে না। আমি–আমি নয় আমরা। আমিত্ব ছাড়ো।’‌

মুখ্যমন্ত্রীর এই মেজাজ দেখে সবাই হকচকিয়ে যান। ওই দুই জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ অবশ্য দাবি করেন, ‘‌সমস্ত কাজ ই–টেন্ডারের মাধ্যমে হয়। এখানে আমাদের কোনও ভূমিকা থাকে না।’‌ কিন্তু ততক্ষণে যা বলার মুখ্যমন্ত্রী বলে দিয়েছেন। এমনকী বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসককে তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সমিলিয়ে চাপ তৈরি হয় জেলা পরিষদের উপর।

বন্ধ করুন