বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‌কোচবিহারে তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে গরহাজির জেলা চেয়ারম্যান, উঠছে প্রশ্ন
‌কোচবিহারে তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক
‌কোচবিহারে তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক

‌কোচবিহারে তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে গরহাজির জেলা চেয়ারম্যান, উঠছে প্রশ্ন

  • কোচবিহারে জেলা বিজেপির সভাপতি সুকুমার রায় জানান, ‘‌কোচবিহারে তৃণমূলের মধ্যে দ্বন্দ্ব নতুন কিছু বিষয় নয়। আগেও ছিল। এখন এটা বড় আকার নিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তা ভয়ঙ্কর আকার নেবে।’‌

কোচবিহারে তৃণমূলের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব চলছেই। জেলার কোর কমিটির বৈঠকে গরহাজির জেলার তৃণমূল চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন সহ ৪ জন। জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিকে ঘিরে দলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি।

গত বুধবার বৈঠকে বসে জেলা তৃণমূলের কোর কমিটি। সেই বৈঠকে যোগ দেননি জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন। এছাড়াও বৈঠকে হাজির ছিলেন না সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, প্রাক্তন মন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন ও আইএটিটিইউসির জেলা সভাপতি পরিমল বর্মন। এরা সকলেই গিরীন্দ্রনাথ বর্মনের ঘনিষ্ঠ। জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে চেয়ারম্যান উপস্থিত না থাকায় স্বভাবতই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন তিনি হাজির থাকলেন না। এর পিছনে কী অন্য কারণ আছে। কিছুদিন আগে জেলার কোর কমিটি থেকে প্রাক্তন জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বাদ পড়ায় প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন। রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, ‘‌রবি ঘোষ কেন নেই, ভাবতেও পারছি না। আমাকে না জানিয়ে কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে।’‌

সম্প্রতি কোর কমিটিতে অনুপস্থিত থাকা নিয়ে জেলা সভাপতি পার্থ প্রতীপ রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ‘‌বিতর্কের কিছু নেই। ব্যক্তিগত কারণেই তিনি আসতে পারেননি। গিরিনবাবু কলকাতায় গিয়েছেন। জগদীশদা ডাক্তার দেখাতে যাবেন বলেছিলেন। বিনয়দা শেষ মুহূর্তে আসতে পারেননি। পরিমলদা নিশ্চয়ই অন্য কোনও কারণে আটকে পড়েছেন।’‌ যদিও এই অনুপস্থিতিকে নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কোচবিহারে জেলা বিজেপির সভাপতি সুকুমার রায় জানান, ‘‌কোচবিহারে তৃণমূলের মধ্যে দ্বন্দ্ব নতুন কিছু বিষয় নয়। আগেও ছিল। এখন এটা বড় আকার নিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তা ভয়ঙ্কর আকার নেবে।’‌

বন্ধ করুন