বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কালসাপ দেখব, সাপুড়ে ডাকব, বিষদাঁত ভাঙব, তোপ সায়ন্তিকার
সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (নিজস্ব চিত্র)
সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (নিজস্ব চিত্র)

কালসাপ দেখব, সাপুড়ে ডাকব, বিষদাঁত ভাঙব, তোপ সায়ন্তিকার

  • পুরভোটেও যাতে এই একই ধরনের পরিনতি না হয়, সেজন্য দলে গদ্দারদের চিহ্নিত করে তাঁদের বের করে দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা।

দলের মধ্যে থেকে দলের বিরুদ্ধে গদ্দারি করা যাবে না। সম্প্রতি বাঁকুড়ায় এক সাংগঠনিক বৈঠকে হাজির থেকে এমনই হুশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদিকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‌কালসাপ দেখব, সাপুড়ে ডাকব আর বিষ দাঁত ভাঙব।’‌

গত রবিবার বিষ্ণুপুরের যদুভট্ট মঞ্চে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। সেই বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে দলীয় কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে সায়ন্তিকা বলেন, ‘‌দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো। অন্য দলে থাকো, হারো আর ফুটে যাও। ওটাই তোমাদের ভবিষ্যৎ।’‌

পুরভোটের আগে দলে থাকা গদ্দারদের চিহ্নিত করে তাঁদের হটিয়ে দেওয়ার বার্তাও দেন তিনি। একই সঙ্গে সায়ন্তিকা জানান, নিজেদের ভুল সংশোধন করে পুরভোটে বেশিরভাগ জায়গায় জয় ছিনিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনার সঙ্গে সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

 

ওই বিজয়া সম্মিলনীতে বড়জোড়ার বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায়, রানিগঞ্জের বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডি, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ, বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রশাসক অর্চিতা বিচ সহ অন্যান্য নেতা–নেত্রীরা হাজির ছিলেন। গত বিধানসভা ভোটে এই জেলায় ১২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৮টি ও তৃণমূল ৪টি আসনে জয়লাভ করে। পুরভোটেও যাতে এই একই হাল না হয়, সেজন্য দলে গদ্দারদের চিহ্নিত করে তাঁদের বের করে দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা।

 

বন্ধ করুন