বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > জগদ্দল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে মুহুর্মুহু বোমাবাজি, পুলিশের হাতে গ্রেফতার তিন
আলো নিভিয়ে চলে মুহুর্মুহু বোমাবাজি।
আলো নিভিয়ে চলে মুহুর্মুহু বোমাবাজি।

জগদ্দল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে মুহুর্মুহু বোমাবাজি, পুলিশের হাতে গ্রেফতার তিন

  • অভিযোগ, বাকরমহল্লা ছাই মাঠের সামনে ২৫–৩০ জন দুষ্কৃতী হানা দিয়ে কমপক্ষে ১২–১৫টি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে।

জগদ্দল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে পালঘাট রোডের পুরানী বাজার এলাকায় মাঝরাতে মুড়ি মুরকির মতো বোমা পড়ল। স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাতে বোমার শব্দে ঘুম ভেঙে যায় অনেকের। দেখা য়ায়, একদল দুষ্কৃতী আচমকা হানা দিয়ে মুন্না সাউয়ের হোটেল কাম বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। তারপর মমতা ট্রাভেলস কাম বাড়িতে বোমাবাজি কর হয়। হিরন সাউয়ের টোটো ভাঙচুর করে দেওয়া হয়। অভিযোগ, বাকরমহল্লা ছাই মাঠের সামনে ২৫–৩০ জন দুষ্কৃতী হানা দিয়ে কমপক্ষে ১২–১৫টি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, রাতে রাস্তার আলো নিভিয়ে চলে মুহুর্মুহু বোমাবাজি। ১০টি বাড়িতে লুঠপাট চালানোর অভিযোগ জমা পড়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় বসেছে পুলিশ পিকেট। জগদ্দলের পালঘাট রোডে এই বোমাবজির ঘটনা ঘটে। প্রায় ৪০টি বোমা ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। চলে বাড়ি ভাঙচুর। তাণ্ডব চালিয়ে এলাকা থেকে ছাড়ে দুষ্কৃতীরা।

একদিন আগেই ভাটপাড়া উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। সেখানেও বোমাবাজি হয়েছিল। এবার ঘটল জগদ্দলে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক রঙও লেগেছে। কারণ যাঁদের বাড়িতে লুঠপাট চলেছে তাঁরা বিজেপি সমর্থক বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। তাই এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার সকালেও থমথমে দেখা যায় গোটা এলাকা।

বন্ধ করুন