বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > দেখা মিলল না সরকারি কর্মীর, মাতৃ দিবসে PPE পরে মায়ের দেহ গাড়িতে তুললেন দুই মেয়ে
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

দেখা মিলল না সরকারি কর্মীর, মাতৃ দিবসে PPE পরে মায়ের দেহ গাড়িতে তুললেন দুই মেয়ে

  • ওদিকে খোলা আকাশের নীচে মায়ের দেহ নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সের অপেক্ষা করতে থাকেন ২ মেয়ে। এর মধ্যে আসে ঝড়বৃষ্টি। পলিথিনে মুড়ে দেহ পাহারা দিতে থাকেন ২ মেয়ে।

করোনায় মৃতের দেহ সৎকার নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে অভিযোগ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেহ পড়ে থাকলেও সৎকারের ব্যবস্থা হচ্ছে না বলে দাবি করছেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর এক অভিযোগ এল উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা থেকে। অভিযোগ, মৃত বৃদ্ধার দেহ ১২ ঘণ্টা পড়ে রইল খোলা আকাশের নীচে। শেষে পিপিই পরে মায়ের দেহ শববাহী গাড়িতে তুললেন ২ কন্যা। এমনকী তাদের কাছ থেকে অ্যাম্বুল্যান্স চালক উৎকোচ চান বলেও অভিযোগ।

ঘটনা হাবরা পুরসভা লাগোয়া কুমড়ো কাশিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলের মাঠ এলাকার। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, মৃতের নাম স্মৃতি গায়েন (৫৫). দিন কয়েক ধরে জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। গতকাল তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। রবিবার সকাল ৭টা নাগাদ মৃত্যু হয় স্মৃতিদেবীর। এর পর পঞ্চায়েতে খবর দেন মেয়েরা। অভিযোগ সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি কারও। 

ওদিকে খোলা আকাশের নীচে মায়ের দেহ নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সের অপেক্ষা করতে থাকেন ২ মেয়ে। এর মধ্যে আসে ঝড়বৃষ্টি। পলিথিনে মুড়ে দেহ পাহারা দিতে থাকেন ২ মেয়ে। তাঁরা জানিয়েছেন, প্রথমে সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ আসে একটি অ্যাম্বুল্যান্স। কিন্তু তাতে দেহ তোলার মতো কেউ ছিলেন না। এর পর এক জোড়া পিপিই কিট নিয়ে আসেন অ্যাম্বুল্যান্স চালক। সেই পিপিই পরে মায়ের দেহ শববাহী গাড়িতে তোলেন ২ মেয়ে। সঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মোটা টাকা ঘুষ চান অ্যাম্বুল্যান্স চালক। 

ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন কুমড়ো কাশিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। তিনি বলেন, রবিবার বলে পঞ্চায়েতে দেহ তোলার মতো কোনও কর্মী ছিল না। তাই অ্যাম্বুল্যান্স পাঠাতে দেরি হয়েছে। তবে চালক কেন টাকা চাইল সেটা খতিয়ে দেখবো।

 

বন্ধ করুন