কলকাতায় পথে বেরিয়ে পুলিশের ডান্ডার মুখে এক যুবক।  (PTI)
কলকাতায় পথে বেরিয়ে পুলিশের ডান্ডার মুখে এক যুবক। (PTI)

নিয়ম না মেনে 'ব্যাটিং' করায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে ৭ পুলিশকর্মীকে, জানালেন মমতা

  • এদিন মমতা জানান, ‘কেউ রেশন তুলতে বেরোলে বা ওষুধ কিনতে গেলে তাকে আটকানো যাবে না।’

লকডাউন চলাকালীন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের একবার অসন্তোষ শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বৃহস্পতিবারই পুলিশ ‘পাকামো মারছে’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। শুক্রবার জানালেন সেজন্য ৭ জন পুলিশকর্মীকে ইতিমধ্যে ক্লোজ করেছে স্বরাষ্ট দফতর। লকডাউন শুরু পর থেকেই 'পুলিশ রাস্তায় ব্যাটিং করছে' বলে ভাইরাল হয়েছিল মিম। মমতা বুঝিয়ে দিলেন, নিয়ম না মেনে পুলিশকে 'ব্যাটিং' করতে দেবেন না তিনি।

রাজ্যে লকডাউন শুরুর পর থেকেই রোজ বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে সচেতন করতে দিচ্ছেন নানা বার্তা। শুক্রবার সেই সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা জানালেন লকডাউনে কী করতে হবে পুলিশকে।

এদিন মমতা জানান, ‘কেউ রেশন তুলতে বেরোলে বা ওষুধ কিনতে গেলে তাকে আটকানো যাবে না।’ পুলিশকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাস্ত করবে না প্রশাসন।’ লকডাউন চলাকালীন অমানবিক আচরণ করায় রাজ্যজুড়ে ৭ জন পুলিশকর্মীকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

সোমবার রাজ্যে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে ঘরে ঢোকাতে সক্রিয় হয়েছেন পুলিশকর্মীরা। অকারণে কাউকে বাইরে ঘুরে বেড়াতে দেখলেই লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যাচ্ছেন তাঁরা। কোথাও পিঠে পড়ছে ২ এক ঘা। এরই মধ্যে কয়েকটি জায়গা থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগও উঠেছে। কোথাও সবজির দোকান তছনছ করতে দেখা গিয়েছে পুলিশকে। এসবের অভিযোগও পৌঁছেছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তার পর শুক্রবার কলকাতার পোস্তায় গিয়ে পুলিশকে সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এত পাকামো মারতে কে বলেছে? দোকান না খুললে মানুষ খাবে কী?’ তখনই বার্তা চলে গিয়েছিল পুলিশ মহলের কাছে। শুক্রবার তিনি জানিয়ে দিলেন, লকডাউনের সুযোগে পুলিশকে নিয়ম না মেনে ব্যাটিং করতে দেবেন না তিনি।



বন্ধ করুন