বাঁ দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডান দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
বাঁ দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডান দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

মোদীকে কটাক্ষ অভিষেকের, পালটা আক্রমণে বিজেপি

অভিষেক বলেন, ‘নাম বদলের বদলে বন্দরের কোনও উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে বাংলার মানুষের উপকার হত।’

প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফরকে কটাক্ষ করে পালটা বিজেপির আক্রমণের মুখে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী কলকাতা ছাড়ার বেশ কিছুক্ষণ পর টুইটে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ শানান অভিষেক। বলেন, ‘নাম বদলের বদলে বন্দরের কোনও উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে বাংলার মানুষের উপকার হত।’ অভিষেকের এই মন্তব্যকে পালটা কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এদিন অভিষেক লেখেন, ‘নিজেদের নামবদলের কর্মসূচির ধারায় কলকাতা বন্দরের নাম পশ্চিমবঙ্গের এক স্বনামধন্য ব্যক্তির নামে রেখেছেন, ভাল কথা। কিন্তু তাতে বাংলার সাধারণ মানুষের কোনও লাভ হবে না। বদলে প্রধানমন্ত্রী যদি বন্দর বা জলপথ উন্নয়নের কোনও প্রকল্প ঘোষণা করতেন তাহলে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ত। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে যথার্থ উপহার হত তা।’



অভিষেকের টুইটকে কটাক্ষ করে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা শোনার সুযোগ মনে হয় অভিষেকবাবুর হয়নি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শুধু শিলান্যাস করেন না। যার শিলান্যাস করেন তার উদ্বোধনও নিজেই করেন। তৃণমূল তো এরাজ্যে শুধু শিলান্যাস করতেই অভ্যস্থ।’

রবিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতা বন্দরের সার্ধশতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প ঘোষণা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হলদিয়া থেকে বারাণসী পর্যন্ত ছোট জাহাজ চলছে। ওই পথে বড় জাহাজ চালানোর ব্যবস্থা করবে সরকার। সেজন্য গঙ্গার নাব্যতা বাড়ানোর কাজ শুরু হবে।’ এছাড়া গঙ্গাপারের সৌন্দর্যায়নের জন্য ৩২ একর জমি চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখান থেকে গঙ্গা দর্শন ছাড়াও থাকবে অ্যাকোয়ারিয়াম ও ওয়াটার পার্ক।

বন্ধ করুন