বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আবার বাড়ল মূল্যবৃদ্ধির হার, খুচরো বাজারের মূল্যবৃদ্ধি উর্ধ্বমুখী
অতিমারী পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাসে সবজি বাজারের আগুনে দামে পকেট পুড়ছে মধ্যবিত্তের।
অতিমারী পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাসে সবজি বাজারের আগুনে দামে পকেট পুড়ছে মধ্যবিত্তের।

আবার বাড়ল মূল্যবৃদ্ধির হার, খুচরো বাজারের মূল্যবৃদ্ধি উর্ধ্বমুখী

  • কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, মূলত তেল বা জ্বালানি এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই বেড়েছে মূল্যবৃদ্ধির হার।

খুচরো বাজারের মূল্যবৃদ্ধির হার আবার বেশ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস (এনএসও) যে তথ্য দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ফেব্রুয়ারি মাসে খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হার ৫.০৩ শতাংশ। জানুয়ারি মাসে সেই হার ছিল ৪.০৬ শতাংশ। এখন প্রশ্ন, তাহলে এক মাসের মধ্যে কেন প্রায় ১ শতাংশ বাড়ল এই হার? কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, মূলত তেল বা জ্বালানি এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই বেড়েছে মূল্যবৃদ্ধির হার।

এদিকে ফেব্রুয়ারি মাসে যে খুচরো মূল্যবৃদ্ধি বাড়তে চলেছে, তার আগাম আভাস দিয়েছিল একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা। তাদের ইঙ্গিত ছিল, ৪.৮৩ শতাংশ হতে পারে সেই হার। বাস্তবে দেখা গেল, তার চেয়েও বেড়ে গেল মূল্যবৃদ্ধি। এই বিষয়ে আরবিআইয়ের বক্তব্য, যদি খুচরো বাজারের মূল্যবৃদ্ধিকে ২ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখা যায়, তবে তা অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করবে। তাদের পূর্বাভাস ছিল, চলতি আর্থিক বছরের শেষ তিনমাসে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে গড় মূল্যবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৫.২ শতাংশ হারে।

অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এটা প্রচণ্ড উদ্বেগের নয়। তার কারণ, মূল্যবৃদ্ধি এখনও পর্যন্ত মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে বলা যেতে পারে। তবে এটার থেকে বাড়লে সেটা সমস্যার। কিন্তু যদি মূল্যবৃদ্ধির হার কমে যায়, তাহলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সুদ কমানোর পথে হাঁটতে পারে। গৃহঋণ বা অন্যান্য খুচরো ঋণে কিছুটা সুবিধা মিললেও মিলতে পারে। কিন্তু যাঁরা আমানতে টাকা রাখেন, তাঁদের জন্য সুদের হার কমে যাওয়া খারাপ খবর তো বটেই।

বন্ধ করুন