বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > রাজ্যে পা রাখল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, প্রকল্পের হাল–হকিকত খতিয়ে দেখবেন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)

রাজ্যে পা রাখল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, প্রকল্পের হাল–হকিকত খতিয়ে দেখবেন

  • বুধবার কলকাতায় পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় দল। আগামীকাল তাঁদের যাওয়ার কথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপে।

আবার রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তাও বাংলায় কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের গতি জানতে। নানা বিষয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকারের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরোধ নতুন নয়। তাই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের এই সফরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নবান্ন। প্রশাসন সূত্রে খবর, গ্রামোন্নয়ন এবং পঞ্চায়েত পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কেন্দ্রের যে প্রকল্পগুলি রয়েছে, তা খতিয়ে দেখবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। কিন্তু হঠাৎ এই আগমন নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

বুধবার কলকাতায় পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় দল। আগামীকাল তাঁদের যাওয়ার কথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপে। এই দ্বীপে আগামী জানুয়ারি মাসে বসবে গঙ্গাসাগর মেলা। হাতে এখন সময় আছে। তার আগে সেখানে গ্রামোন্নয়নের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতর কী কী কাজ করেছে, তা দেখবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি দলটি।

জানা গিয়েছে, গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ থেকে শুরু করে পরিশ্রুত পানীয় জল, গ্রামীণ স্থানীয় প্রশাসনের পরিকাঠামো সঠিকভাবে গড়ে উঠেছে কি না তাও দেখবেন তাঁরা। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্যের আমলাদের সঙ্গে বৈঠকেও বসতে পারেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা।

উল্লেখ্য, আধিকারিকদের অনেকে জানান, মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির খরচ ৯০ বহন করত কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জমানায় সেই সব প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র দেয় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ অর্থ। কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পগুলিতে রাজ্য সরকার যখন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ অর্থ খরচ করছে, তখন প্রকল্পের নাম বদল করলে আপত্তি থাকার কথা নয়। এইসব নিয়েও কথা হতে পারে বলে খবর।

বন্ধ করুন