বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Durga Puja 2020: 'পুজোর অনেকটা ক্ষতি হয়ে গেল', হাইকোর্টের রায়ে প্রতিক্রিয়া পুজো কমিটিগুলির
'পুজোর অনেকটা ক্ষতি হয়ে গেল', হাইকোর্টের রায়ে প্রতিক্রিয়া পুজো কমিটিগুলির (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
'পুজোর অনেকটা ক্ষতি হয়ে গেল', হাইকোর্টের রায়ে প্রতিক্রিয়া পুজো কমিটিগুলির (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

Durga Puja 2020: 'পুজোর অনেকটা ক্ষতি হয়ে গেল', হাইকোর্টের রায়ে প্রতিক্রিয়া পুজো কমিটিগুলির

  • পুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল তাতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যে দর্শকশূন্য পুজোর পরামর্শ দিয়েছে।

পুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল, তাতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যে দর্শকশূন্য পুজোর পরামর্শ দিয়েছে। প্রশাসনের উদ্দেশে জারি হয়েছে একাধিক নির্দেশিকা। জানানা হয়েছে সমস্ত মণ্ডপই নো–এন্ট্রি জোন হিসেবে চিহ্নিত হবে। উদ্যোক্তারাও নিয়ম মেনেই মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন।

এই রায়ের পর পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এভাবে পুজো করা কার্যত কঠিন বলে তাঁরা মনে করছেন। দক্ষিণ কলকাতার বিখ্যাত পুজো বাদামতলা আষাঢ় সংঘের সাধারণ সম্পাদক সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‌মহামান্য হাইকোর্টের রায় আমরা মানতে বাধ্য। তবে এই রায়ের পর আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। কারণ যাঁরা স্টল দিয়েছিলেন, তাঁরা ব্যবসা করতে পারবেন না। ফলে পুজো কমিটির আয় কমবে। উলটে যাঁরা স্টল তৈরি করলেন, তাঁদের টাকা দিতে হবে। এই জোড়া চাপে পড়ে খুব ক্ষতি হয়ে গেল।’‌

এই রায়ের বিষয়ে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসু বলেন, ‘‌ফেস মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মণ্ডপে প্রবেশের সময়। আর স্যানিটাইজার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক রাখা হয়েছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করার জন্য।’‌

আবার নন্দীবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির প্রবীণ সদস্য দীপঙ্কর দে বলেন, ‘‌আমরা তো পুজোর শুরু থেকেই নানা সতর্কতা মেনে কাজ করছি। সরকারের  তরফে যা যা নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছিলাম। কিন্তু মহামান্য হাইকোর্ট যে রায় আজ দিয়েছে তাতে পুজোর খুব ক্ষতি হয়ে গেল। কারণ দর্শক না এলে এই গোটা পরিশ্রমটাই জলে যাবে। পুজো কমিটির সদস্যদের পক্ষে প্রত্যেকদিন মণ্ডপে থাকা সম্ভব নয়। কারণ প্রত্যেকের একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। এখানে রুজি–রোজগার কমে যাবে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে স্টল দিয়ে মানুষ আয় করতে পারতেন। এখন আর তা সম্ভব নয়। তবে মহামান্য আদালতের রায় তো মানতে হবেই।’‌

এই রায়ের পরই রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী মমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টেলিফোনেই বৈঠকে যোগ দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব। রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখার পাশাপাশি পুজোর সময়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বৈঠকে। রাজ্যের সব পুলিশ সুপার, জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার, সিএমওওইচদের নানা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বন্ধ করুন