বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > চিঠি দেওয়ার আগে জিতেনের আমার সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল: ফিরহাদ হাকিম
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

চিঠি দেওয়ার আগে জিতেনের আমার সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল: ফিরহাদ হাকিম

  • জিতেন তিওয়ারির এহেন চিঠিতে শোরগোল শুরু হয় তৃণমূলের অন্দরে। বেলায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘আমার সঙ্গে কথা না বলে জিতেনের এভাবে চিঠি দেওয়া মোটেও উচিত হয়নি।

আসানসোলের বিধায়ক তথা পুরনিগমের মুখ্য প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারির চিঠি নিয়ে চরম অস্বস্তির মধ্যেই মুখ খুললেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে ‘ভাই’ বলে উল্লেখ করে তাঁর দাবি, এসব নিয়ে চিঠিচাপাটি করার আগে কথা বলা উচিত ছিল আমার সঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, কেউ বিজেপিতে যেতে চাইলে যাবেন। 

সোমবার প্রকাশ্যে আসে জিতেন তিওয়ারির চিঠির বয়ান। তাতে আসানসোলকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অন্তত ২,০০০ কোটি টাকা থেকে বঞ্চনা করার জন্য তিনি কাঠগড়ায় তোলেন রাজ্য সরকার ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের স্মার্ট সিটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ২,০০০ কোটি টাকা রাজনৈতিক কারণে নিতে দেয়নি রাজ্য সরকার। বদলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেননি পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। 

জিতেন তিওয়ারির এহেন চিঠিতে শোরগোল শুরু হয় তৃণমূলের অন্দরে। বেলায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘আমার সঙ্গে কথা না বলে জিতেনের এভাবে চিঠি দেওয়া মোটেও উচিত হয়নি। আমার সঙ্গে ওর সম্পর্ক খুব ভাল। ও আমার ভাই। ওকে বিজেপি ভুল বোঝাচ্ছে।’

জিতেনের অভিযোগ সম্পর্কে ফিরহাদের সাফাই, ‘কেন্দ্রীয় সরকার ওরকম অনেক প্রকল্প বানায়। সেই প্রকল্পে অর্ধেক টাকা দিতে হয় রাজ্য সরকারকে। অত টাকা একটি পুরনিগমকে দিয়ে দিলে বাকিদের উন্নয়ন ব্যহত হবে। উন্নয়নের সমবণ্টনের জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প গ্রহণ করেনি রাজ্য সরকার। এব্যাপারে নীতি নির্ধারণের দায়িত্ব রাজ্য বিধানসভার। জিতেন তিওয়ারি সেখানকার সদস্য।’

জিতেনের বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে ফিরহাদের সাফ কথা। ওর সঙ্গে এখনো আলোচনার দরজা খোলা আছে। তবে কেউ বিজেপিতে যেতে চাইলে যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউকে বাধা দিতে বারণ করেছেন। 

 

বন্ধ করুন