বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের বদনাম নয়, অভিভাবকরা মুচলেকার দিলে তবেই ভরতি সন্তানদের!

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের বদনাম নয়, অভিভাবকরা মুচলেকার দিলে তবেই ভরতি সন্তানদের!

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে খুলে যাচ্ছে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস হবে। (গ্রাফিক্স পরাগ মাইতি)

কলকাতার একাধিক বেসরকারি স্কুল জানিয়ে দিয়েছে, মুচলেকা দিলে তবেই সন্তানকে ভরতি নেওয়া হবে।

সম্প্রতি কলকাতায় একাধিক নামী স্কুলের ফি বৃদ্ধি নিয়ে অভিভাবকদের আন্দোলন দেখা গিয়েছে। এর জেরে বেশ কয়েকটি স্কুল অনির্দিষ্টকালের জন্য দরজাও বন্ধ করে দেয়। এই আভহে এবার পড়ুয়াদের ভরতি করার আগে স্কুলগুলির তরফে মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে অভিভাবকদের কাছ থেকে। মুচলেকায় অভিভাবককে বলতে হবে যে স্কুল সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়া বা সংবাদমাধ্যমে এমন কিছু লেখা বা বলা যাবে না, যাতে স্কুলের বদনাম হয়। এই মুচলেকা দিলে তবেই সন্তানকে ভরতি নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, ডিপিএস নিউটাউন-সহ একাধিক স্কুল স্ট্যাম্প পেপারে অভিভাবকদের কাছ থেকে এমনটাই লিখিয়ে নিচ্ছে।

জানা গিয়েছে, মোট সাতটি বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে সেই মুচলেকায়। স্কুলের কোনও সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা যাবে না বলে উল্লেখিত রয়েছে মুচলেকায়। পাশাপাশি অভিভাবকদের তরফে স্কুল বিরোধী কোনও বিক্ষোভে অংশ নেওয়া যাবে না বলেও বলা হয়েছে মুচলেকাতে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে স্কুলের বদনার করে কিছু লেখা বা বলা যাবে না।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই অনির্দিষ্টকালের জন্য দরজা বন্ধ করা হয়েছিল জিডি বিড়লা, অশোক হলের মতো কলকাতার নাম করা কয়েকটি স্কুলের। বর্ধিত বেতন নিয়ে প্রতিবাদী অভিভাবকদের বিক্ষোভের মুখে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার কারণ দেখিয়ে বন্ধ হয়েছিল স্কুলগুলি। পরে অবশ্য জিডি বিড়লার পাশাপাশি অশোক হল এবং মহাদেবী বিড়লা শিশুবিহার স্কুল খুলেছে। তবে পূর্ণ বেতন দেওয়া পড়ুয়ারাই শুধুমাত্র স্কুলে যেতে পারছে। উল্লেখ্য, করোনার জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল স্কুল। তবে পরিস্থিতি ফের স্বাভাবিক হচ্ছে। খুলেছে স্কুলের দরজা। তবে এরই মধ্যে ফি বৃদ্ধি নিয়ে প্রতিবাদী হন অভিভাবকদের একাংশ। যা নিয়ে এবার চিন্তিত বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ।

বন্ধ করুন