বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কলকাতা থেকে ধৃত বাংলাদেশির কাছ থেকে উদ্ধার সিম বক্স, জঙ্গি যোগের সন্দেহ
বিমানবন্দর থেকে ধৃত বাংলাদেশির কাছ থেকে উদ্ধার সিম বক্স, জঙ্গি যোগের সন্দেহ: ছবি (‌স্ক্রিন শর্ট)‌
বিমানবন্দর থেকে ধৃত বাংলাদেশির কাছ থেকে উদ্ধার সিম বক্স, জঙ্গি যোগের সন্দেহ: ছবি (‌স্ক্রিন শর্ট)‌

কলকাতা থেকে ধৃত বাংলাদেশির কাছ থেকে উদ্ধার সিম বক্স, জঙ্গি যোগের সন্দেহ

  • তাঁর দুই সাগরেদ নদিয়ার ইরশাদ ও শিলিগুড়ির রঞ্জিতকেও গ্রেফতার করেছে এসটিএফ।বুধবার রাতে এসটিএফ শিলিগুড়ি, কলকাতা, তালতলা, জলপাইগুড়ি, বিধাননগর-‌সহ সাতটি বিভিন্ন এলাকা অভিযান চালিয়ে ২৩টি সিমবক্স উদ্ধার করেছে। এছাড়াও অভিযুক্তের কাছ থেকে সাইবার অপরাধ ও জঙ্গিদের কথোপকথনে ব্যবহৃত ২৩ টি সিম বক্স বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

কলকাতা থেকে এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছিল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। বুধবার ধৃতদের জেরা করে একাধিক গোপন ডেরায় হদিশ পেয়েছে এসটিএফের তদন্তকারী আধিকারিকরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতের নাম মামুন। এছাড়াও তাঁর দুই সাগরেদ নদিয়ার ইরশাদ ও শিলিগুড়ির রঞ্জিতকেও গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। বুধবার রাতে এসটিএফ শিলিগুড়ি, কলকাতা, তালতলা, জলপাইগুড়ি, বিধাননগর-‌সহ সাতটি বিভিন্ন এলাকা অভিযান চালিয়ে ২৩টি সিমবক্স উদ্ধার করেছে। এছাড়াও অভিযুক্তের কাছ থেকে সাইবার অপরাধ ও জঙ্গিদের কথোপকথনে ব্যবহৃত ২৩ টি সিম বক্স বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

ওই সিম বক্সে একসঙ্গে ২৫৬ টি সিম স্লট ক্যাপাসিটি রয়েছে। এছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে ১৭ টি রাউটার, ৪০০টি প্রি অ্যাক্টিভেটেড সিম, বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার ওয়াইফাই মডেম, ল্যাপটপ, ডাটা কেবল-সহ একাধিক বৈদ্যুতিন সামগ্রী।

ধৃতের কাছ থেকে যে ধরনের বৈদ্যুতিন যন্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তা থেকে জঙ্গি যোগের সন্দেহ গাঢ় হয়েছে গোয়েন্দারা। বৃহস্পতিবার মামুন, ইরশাদ ও রণজিতকে আদালতে তোলা হলে ধৃতদের ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ধৃতদের আইবি-‌সহ কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা জেরা করবে। ধৃত এই ব্যক্তির সঙ্গে জঙ্গী যোগ সন্দেহে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের আইবি-‌সহ তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা রাজ্য পুলিশের এসটিএফের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, মামুনের কাছে সিম বক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে কাতার,ইরাক, ইরান, পাকিস্তান থেকে কল আসত। ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ আছে কিনা তা তার কাছ থেকে জেরা করে জানতে চাইছে এসটিএফ।

কীভাবে চক্র চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা?

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি এই চক্রের মূল মাথা মামুন। বিদেশ থেকে আসা কলগুলোকে সিমবক্সের মাধ্যমে কনভার্ট করে লোকাল কলে পরিণত করত। তারপর মামুনের ওই দুই সাগরের তাদের ভাগ করে দেওয়া এলাকায় কাজ করত।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যাতে তারা ধরা না পড়ে সেজন্য সাধারণত জঙ্গি সংগঠনের চাইঁরা এই ধরনের সিম বক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে। মামুনের সঙ্গে এই ধরনের কোনও যোগ রয়েছে কিনা, তা তার কাছ থেকে জেরা করে জানতে চাইছি এসটিএফ। আগামীকাল ধৃতদের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল জেরা করবে।

 

বন্ধ করুন