ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

রাজ্যটা আপনার জমিদারি নয়, মামতাকে পালটা চিঠি রাজ্যপালের

শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজভবনে সংবাদমাধ্যমের সামনে বাকি কথা বলবেন তিনি। করোনা সংক্রম সংক্রন্ত সতকর্তা মাথায় রেখে সেই আয়োজন করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির প্রাথমিক জবাব তিনি পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বৃহস্পতিবার রাতে টুইটে সেকথা জানান তিনি। সঙ্গে জানিয়েছেন, শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজভবনে সংবাদমাধ্যমের সামনে বাকি কথা বলবেন তিনি। করোনা সংক্রম সংক্রন্ত সতকর্তা মাথায় রেখে সেই আয়োজন করা হচ্ছে।

এদিন তাঁর জবাবে রাজ্যপাল লিখেছেন, 'আপনি সাংবিধানিক ভাবে একজন ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী। সংবিধানকে আপনারা অবজ্ঞা করছেন। আমি সংবিধানের আওতায় থেকেই কাজ করব। আপনি রাগের মাথায় চিঠি লিখেছেন। আপনার দৃষ্টিভঙ্গী জানতে পেরে উপকৃত হলাম।'

সঙ্গে রাজ্যপাল লিখেছেন, 'কেউ সাংবিধানিক পদে থাকলে সে নিজেকে আইন বলে ভাবতে পারে না। সংবিধান তাকে সেই অধিকার দেয়নি। রাজ্য চালানো আর জমিদারি চালানো এক নয়। রাজ্য চালাতে হয় সাংবিধান মেনে।'

বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের আচরণে তিনি অপমানিত বলে জানিয়ে ৫ পাতার চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে তিনি লেখেন, ‘আপনার মনে রাখা উচিত আমি একটি গর্বিত রাজ্যের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। আর আপনি একজন মনোনীত রাজ্যপাল।’

একই সঙ্গে রাজ্যপাল নিয়ে বাবাসাহেব আম্মেদকরের বক্তব্যও স্মরণ করান মমতা। মনে করান সারকারিয়া কমিশনের সুপারিশ ও মন্তব্য।


মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্যপাল যে ভাষায় তাঁকে চিঠি লিখছেন তা তাঁর ও তাঁর দফতরের পক্ষে অবমাননাকর। এমনকী রাজ্যপালকে তাঁর সাংবিধানিক কর্তব্যও মনে করিয়েছেন মমতা।

মমতার চিঠি পেয়েই টুইট করেন রাজ্যপাল। জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রাথমিক জবাব দেবেন তিনি। আর বিস্তারিত জবাব দেবেন শুক্রবার বেলা ১১টায়। রাজ্যের মানুষের সব জানা উচিত।

সঙ্গে রাজ্যপাল লেখেন, মুখ্যমন্ত্রী যা লিখেছেন তা তথ্যগতভাবে ভুল ও সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।


বন্ধ করুন