বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > একসময় ট্যাক্সি চড়াও বিলাসিতা ছিল আমার কাছে! পুরোনো জীবন নিয়ে স্মৃতিমেদুর অনিল
ট্যাক্সি নিয়ে নানান স্মৃতির কথা জানালেন অনিল। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)
ট্যাক্সি নিয়ে নানান স্মৃতির কথা জানালেন অনিল। (ছবি সৌজন্যে - হিন্দুস্তান টাইমস)

একসময় ট্যাক্সি চড়াও বিলাসিতা ছিল আমার কাছে! পুরোনো জীবন নিয়ে স্মৃতিমেদুর অনিল

  • সম্প্রতি, শুরু হয়েছে 'স্টার ভার্সেস ফুড' এর দ্বিতীয় সিজন। জনপ্রিয় এই শোয়ের আগামী পর্বে রান্নাঘরে গরম গরম রকমারি খাবার তৈরি করতে দেখা যাবে অনিল কাপুরকে।

সম্প্রতি, শুরু হয়েছে 'স্টার ভার্সেস ফুড' এর দ্বিতীয় সিজন। জনপ্রিয় এই শোয়ের আগামী পর্বে রান্নাঘরে গরম গরম রকমারি খাবার তৈরি করতে দেখা যাবে অনিল কাপুরকে। তবে তিনি একা নন, এই ফুড শোয়ে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত হাঁকবেন আরবাজ খান এবং সঞ্জয় কাপুরের স্ত্রী মাহিপ কাপুর। এবং অবশ্যই ফারহা খান। সেখানেই রান্না করতে করতেই অনিল ফিরে যান নিজের ছোটবেলার দিনগুলোয়।

তবে একা হাতে রান্নাঘরের সব কাজ সামলাবেন না 'মিঃ ইন্ডিয়া'। মুম্বইয়ের বিখ্যাত রেঁস্তরা সিলি-র হেড শেফ গণেশের সঙ্গে জোট বেঁধে এই শোয়ে ফারহার জন্য ল্যাম্ব কারি রাইস, নোচি পাস্তা এবং বার্গার তৈরি করতে দেখা যাবে অনিলকে। ট্যাক্সি করেও শেফ গণেশের সঙ্গে মুম্বইয়ের রাস্তায় ঘুরতে দেখা যায় তারকাকে। ট্যাক্সিতে চেপে বসে ছোটবেলার দিনগুলোয় ফিরে গেছিলেন অনিল। জানালেন কীভাবে কোন কোন রাস্তা দিয়ে ট্যাক্সি চেপে তিনি এবং তাঁর পরিবার প্রায়শই যাতায়াত করতেন। জানিয়ে রাখা ভালো অনিলের বাবা প্রয়াত সুরিন্দর কাপুর ছবি প্রযোজক ছিলেন বটে, তবে সে জায়গায় পৌঁছনোর আগে পর্যন্ত বেশ কঠিন সময়ের মধ্যে যেতে হয়েছিল কাপুর পরিবারকে।

এরপর শো চলাকালীন একথা সে কথার ফাঁকে অনিল জানান ছোটবেলায় এমনও সময় গেছে তাঁদের পরিবারে যে তখন ট্যাক্সি চড়া তাঁদের কাছে বিরাট বিলাসিতার থেকে কম কিছু ছিল না। বলি-তারকা বলে ওঠেন, 'তখন চেম্বুরের তিলক নগরে থাকতাম আমরা। আমাদের কাছে তখন কোনও গাড়ি ছিল না। বেশিরভাগ যাতায়াত বসেই সাড়তাম আমরা। ধীরে ধীরে অবস্থা একটু ফিরলে ট্যাক্সি করে যাতায়াত শুরু করলাম। সেই সময়ে ট্যাক্সি চড়াটাই বিরাট ব্যাপার ছিল আমাদের কাছে'। কথায় কথায় আরও জানা গেল কাপুর পরিবারের বাড়ির কাছাকছি বিরাট এক ট্যাক্সি স্ট্যান্ড ছিল। প্রচুর ' ট্যাক্সিওয়ালা' আশেপাশেই থাকতেন। তাঁদের সঙ্গে যথেষ্ট সদ্ভাব ছিল অনিলদের। এমনও বহুবার হয়েছে যে যখনই অনিলের মায়ের ১০০, ২০০ টাকা খুচরো করার হয়েছে অনিলরা দিব্যি ওই ট্যাক্সিওয়াল্ডের থেকে খুচরো নিয়ে আসতেন। অনিলের কথায়, 'ট্যাক্সি ঘিরে আমার বহু বহু স্মৃতি জুড়ে রয়েছে '।

বন্ধ করুন