বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > সত্যি কি আরবাজের থেকে ডিভোর্স চাননি মালাইকা? কথা বললেন ‘কঠিন’ সময় নিয়ে
মালাইকা ও আরবাজ।
মালাইকা ও আরবাজ।

সত্যি কি আরবাজের থেকে ডিভোর্স চাননি মালাইকা? কথা বললেন ‘কঠিন’ সময় নিয়ে

  • যদিও আলাদা হয়ে যাওয়ার পরেও দুই তারকার মধ্যে সম্পর্ক ভালো। ছেলের সব দায়িত্বও দু'জনে একসাথেই নিয়ে থাকেন। 

একসময় বলিপাড়ার পারফেক্ট কাপলদের মধ্যে নাম আসত মালাইকা আরোরা আর আরবাজ খানের। খান পরিবারের এই বউ সবাইকে অবাক করে দিয়ে যখন ডিভোর্স নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তখন অবাক হয়েছিল অনেকেই। তবে, কেন আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মালাইকা, সেই বিষয়ে কখনোই কথা বলতে দেখা যায়নি তাঁকে। শুধু জানিয়েছিলেন, ‘একসাথে অসুখী থাকার চেয়ে আলাদা সুখে থাকা ভালো। আর তাঁদের ছেলেও সেটা বুঝেছে।’

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফের এই নিয়ে কথা বলতে শোনা যায় মালাইকাকে। জানান, ডিভোর্স নেওয়ার আগে তাঁর মাথায় অনেক কিছু খেলা করছিল। যার মধ্যে ছিল আশেপাশের মানুষ কী বলবে, ১৯ বছরের আরহানের মধ্যে এই নিয়ে কী প্রভাব পড়বে। তবে তিনি জানতেন নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁকে একবগ্গা আর স্থির থাকতে হবে, কেননা এটা অনেকগুলো মানুষের উপর প্রভাব ফেলবে। 

‘বলিউড বাবল’কে মালাইকা জানান, ‘আমার ব্যক্তিজীবনে ঝড় বয়ে গিয়েছিল এই কারণে। অনেক কিছু আমার মাথার মধ্যে চলছিল। পরিবারের চাপ ছিল, আমাকে ভাবতে হয়েছিল এতে আমার ছেলের উপর কী প্রভাব পড়বে, আমি কীভাবে এটার সাথে মানিয়ে নেব, সমাজ কী বলবে, আমি আদৌ কাজ পাব তো-- সব কিছু চলেছিল আমার মাথার মধ্যে। হয়তো এটা আমার জীবনের সবথেকে খারাপ একটা সময়। এমন এক উত্থান-পতন যার সাথে মানিয়ে নিতেই আমার অনেকটা সময় চলে গিয়েছে। কারণ এটা শুধু আমার উপর প্রভাব ফেলেনি, আমার গোটা পরিবারের উপর ফেলেছিল। আমার বাচ্চাটাও এর সাথে জড়িত ছিল।’

মালাইকা জানান, তিনি আর আরবাজ দু'জনে মিলে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেন। কারণ তাঁরা বুঝেছিলেন এটাই ভালো হবে সবার জন্য। তবে এসবের থেকে বেরিয়ে আসতে মাল্লাকে যোগা, মেডিটেশনের মতো জিনিসের সাহায্য নিতে হয়েছিল। 

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন আরবাজ-মালাইকা। ২০১৭ সালে আইনি মতে বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। বর্তমানে অর্জুন কাপুরের সাথে সম্পর্কে আছেন মালাইকা।

বন্ধ করুন