এবার মাসাকলি ২.০ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন বাদশা (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
এবার মাসাকলি ২.০ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন বাদশা (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

'হাম্মা হাম্মা'র রিমেক পছন্দ করেছেন রহমান',মাসাকলি বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন বাদশা

  • ওকে জানুর ছবিতে এআর রহমানের 'হাম্মা হাম্মা' গানটি রিক্রিয়েট করেছিলেন বাদশা।

মুক্তির পর থেকেই বির্তকের কেন্দ্রবিন্দুতে মাসাকলি ২.০। টি-সিরিজের এই সিঙ্গলস নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রহমান ভক্তরা। রহমান নিজেও টুইটারে হতাশা প্রকাশ করেছেন এই রিমেক ভার্সন নিয়ে। এবার গোটা বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেন ব়্যাপার বাদশা। এর আগে বাদশা নিজেও একাধিক গানের রিক্রিয়েশন করেছেন বাদশা।


মুম্বই মিররকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে বাদশা জানিয়েছেন, সবকিছুই শেষমেষ নির্ভর করছেন জনতার প্রতিক্রিয়ার উপর। তিনি বলেন, ‘তুলনা হওয়াটা স্বাভাবিক। আমার আঁখ মারে গানের রিমিক্স বেশি পছন্দ,অরিজিন্যাল গানের থেকে। ২০১৫ সালে আমি ওয়াখরা সোয়্যাগ তৈরি করেছিলাম সম্প্রতি সেই গানটির রিমেক করা হয়েছে, অথচ আমি নিজেই জানতাম না। সেটাও বেশ ভালো সাড়া পেয়েছে। কিন্তু তবুও আমার কনসার্টে এখনও আমার গানটা সবাই শুনতে চায়’। বাদশা এরপর আরও জানান, এ আর রহমান নিজে হাম্মা,হাম্মা গানটির প্রশংসা করেছেন। ওকে জানু ছবির জন্য রহমানের এই আইকোনিক গানটি রিক্রেয়েট করেছিলেন বাদশা। আমরা একটা অনুষ্ঠানে ছিলাম, এবং উনি নিজে আমাকে ঘরের এক কোণায় ডেকে বলেন হাম্মা হাম্মার রিমেক ভার্সনটি তাঁর খুব পছন্দ হয়েছে।

সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং তারা সুতারিয়ার উপর দৃশ্যায়িত মাসাকলি ২.০ মুক্তি পেয়েছে বুধবার। তবে এই রিক্রিয়েশন নিয়ে টুইটারের দেওয়ালে ক্ষুদ্ধ রহমান লেখেন লেখেন, ‘আসল মাসাকলি শুনুন। কোনও শর্টকাট পথে নয়,সঠিকভাবে অনুমোদিত, নিদ্রহীনরাত্রি, লেখা শেষের পর ফের লেখা। ২০০ জন সঙ্গীতশিল্পী, ৩৬৫ দিনের সৃষ্টিশীল চিন্তাভাবনা-শুধুমাত্র একটাই লক্ষ্য এমন একটা সঙ্গীত তৈরি করা যেটা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করবে। একজন পরিচালক, একজন সঙ্গীত পরিচালক এবং গীতিকার-তাঁদের সাহায্য করেছেন অভিনেতা,নৃত্য পরিচালক(কোরিওগ্রাফার) এবং ছবির সঙ্গে যুক্ত অগুণতি কুশীলবরা। অনেক ভালোবাসা এবং প্রার্থনা- এ আর রহমান’।


মাসকলি ২.০ রিক্রেয়েট করেছেন তানিশক বাগচি, গানটি গেয়েছেন তুলসী কুমার এবং সাচেত টন্ডন।


সম্প্রতি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছেন বাদশাও। এই পঞ্জাবি ব়্যাপারের সদ্য মুক্তি পাওয়া 'গেন্দা ফুল'-এর জন্য গানচুরির অভিযোগ উঠেছিল বাদশার বিরুদ্ধে। তবে বাদশা এই প্রসঙ্গে সাফাই নিয়ে জানান, কোনও রেকর্ডেই এই গানের (বড়লোরে বিটিলো) স্রষ্টা হিসাবে রতন কাহারের নাম নেই। তবে গ্রাম বাংলার এই প্রবীন শিল্পীর প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িে দিয়েছেন বাদশা। এই গানের রয়্যালটিও রতন কাহারের সঙ্গে শেয়ার করার কথা জানিয়েছেন শিল্পী।


বন্ধ করুন