বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Mir Afsar Ali: 'বাবাদের গল্পগুলো শব্দহীন হয়...' ফাদার্স ডে'তে কেন এমন লিখলেন মীর?

Mir Afsar Ali: 'বাবাদের গল্পগুলো শব্দহীন হয়...' ফাদার্স ডে'তে কেন এমন লিখলেন মীর?

ফাদার্স ডেতে কেন এমন লিখলেন মীর?

Mir Afsar Ali: ফাদার্স ডে উপলক্ষে একটি বিশেষ পোস্ট লিখলেন মীর। জানালেন তাঁর এবং তাঁর মেয়ের সমীকরণ। বললেন মুসকানকে কখনই তিন রাতে গল্প বলে ঘুম পাড়াতে পারেননি। জানালেন কারণও।

ফাদার্স ডের দিন বিশেষ স্বীকারোক্তি মীরের। জানালেন এক আক্ষেপের কথাও। এই বিশেষ বাবা এবং তাঁর সন্তানদের সম্পর্ক, সমীকরণ উদযাপনের দিনে একদম অন্য কথা, অন্য অভিজ্ঞতা শোনালেন মীর।

১৮ জুন, রবিবার ছিল এই বছরের ফাদার্স ডে। সেদিনই মেয়ে মুসকানকে নিয়ে এই বিশেষ পোস্ট লেখেন মীর। জানান তিনি তাঁর কন্যাকে ছোটবেলায় কখনই গল্প পড়ে শোনাতে পারেননি। গল্প বলে তাঁকে ঘুম পাড়ানো হয়নি মীরের। বাকিদের গল্প বলতে গিয়ে মেয়েকেই আর গল্প বলতে পারেননি তিনি। তাই মুসকানের এই বছরের জন্মদিনে তিনি একদম অন্য ধরনের একটা চমক দেন তিনি। শুরু করেন গপ্পো মীরের ঠেক।

এদিন মেয়ের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে মীর লেখেন, ‘কারণ আপনাদের সবাইকে গপ্পো শোনাতে শোনাতে আমি ওর ছোটবেলায় ওকে কোনদিন গপ্পো পড়ে ঘুম পাড়ানোর সময় পাইনি। তাই মুসকানের জন্মদিনে প্রথম গপ্পো ছাড়া হয় এই ঠেকে। বাবার প্রায়শ্চিত্ত। দিনটা ছিল এ বছরের ২৩শে জানুয়ারী।’

একই সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সবাইকে পরামর্শ দিয়ে বলেন সবাই যেন তাঁদের সবার সন্তানকে গল্প পড়ে শোনান। সময় কাটান। এই বিষয়ে তিনি লেখেন 'জ্ঞান দেব না। নিজেও পছন্দ করি না কেউ দিলে। শুধু এটুকু বলব যতই কাজের চাপে হাত বাঁধা অবস্থা হোক না কেন, বাচ্চাকে গপ্পো পড়ে শোনানোর সুযোগটা হাতছাড়া করবেন না।'

বাবারা কতটা আত্মত্যাগ করেন সেটাও তিনি এদিন তাঁর কথায় তুলে ধরেন। প্রসঙ্গে এই জনপ্রিয় প্রাক্তন আরজে লেখেন, 'আমার মতন বাবাদের গপ্পোগুলো অনেকসময়েই শব্দহীন হয়। আমার মতন বাবাদের গপ্পোগুলো অনেকসময়েই শেষমেশ কিছু বলে উঠতে পারে না। গপ্পোমীরের ঠেকে জমা হোক সেইসব না বলে উঠতে পারার গপ্পেরা। হ্যাপি ফাদার্স ডে'।

অনেকেই তাঁর এই দরদী লেখায় নিজেদের সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন। এক ব্যক্তি লেখেন, 'বাবাদের লড়াইয়ের সঙ্গী হল মেয়েরা। তাই আপনার না বলা গল্পগুলো হয়তো ওর মনে গেঁথে আছে। কারণ মেয়েরা যে বাবাদের অংশ হয়। মুসকান দেখবেন আপনার গল্পগুলোকে একদিন নিজের মতো করে বলবে। আর আপনার মন ভরে যাবে। বাবাদের জায়গা সব থেকে প্রথমে হয়।' আরেক ব্যক্তি নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, 'সারা দিন পড়াশোনা, এটা ভালো, ওটা খারাপ এই লড়াইয়ের শেষে রাতে শোয়ার সময় ছেলেকে সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের, মামা সমগ্র পড়ে শোনাই। সব চাপ, ক্লান্তি উধাও। ছেলে সারাদিন অপেক্ষা করে থাকে। চেষ্টা করি আমার মতো ছোটবেলা ছেলেকে দিতে।' মীরের আরেক ভক্তের কথায়, 'সবাই খুব ব্যস্ত সংসারের চাপে। তাই সত্যি বাচ্চাদের গল্প শোনাবার মতো কেউ নেই। এই লেখা অনেককে অনুপ্রাণিত করবে।আপনি আর মুসকান দুজনে খুব ভালো থাকুন।'

বায়োস্কোপ খবর

Latest News

ভারতীয় উপকূলের কাছেই মাঝ সমুদ্রে বিস্ফোরণ জাহাজে, মৃত ১ অপমানিত বোধ করছি… অ্যাক্রিডেশন না পেয়ে ক্ষোভ উগরালেন ভারতীয় তীরন্দাজ দলের কোচ ২.৩ ওভারেই পাঁচ উইকেট! কেরিয়ারের সেরা বোলিং করে নজর কাড়লেন মার্নাস লাবুশান… সুদের হার প্রায় ৮%! বিশেষ ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম চালু একাধিক ব্যাঙ্কে, কোথায় লাভ? একুশে জুলাইয়ের পোস্টারে অভিষেকের ছবি নেই!‌ খোঁচা দিলেন শমীক, পাল্টা জয়প্রকাশ বাংলাদেশে থেকে এখনও ঘরে ফিরেছেন ৯৭৮ ভারতীয় পড়ুয়া, হাইকমিশনের দ্বারস্থ আরও ৪০০০ প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে পার্টি, চারু বলছেন প্রাক্তন শাশুড়ি-ননদকে বড়ই ভালোবাসেন রাখি বন্ধন ২০২৪: তারিখ, ভাদ্র, পঞ্চক, রাখীর শুভ সময় অগস্টের শুরুতেই সূর্যের ঘরে শুক্রের প্রবেশ, ৫ রাশির খুলবে কপাল, বিনিয়োগে হবে লাভ কীভাবে ২১ দিনে কমিয়েছিলেন ওজন? সেই গোপন কৌশল শেয়ার করলেন মাধবন

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.